সাবধানতা: দেশে ও প্রবাসে কোটি মানুষের জানা জরুরী

20110503-money-460

নজরুল কবীর ।সাংবাদিক।লেখক নিউইয়র্ক

সাবধানতা: (দেশে ও প্রবাসে কোটি মানুষের জানা জরুরী,তাই আপনিও 👥 শেয়ার করুন)।

১.টাকা গুনে হাত জীবানুমুক্ত করুন।
২.হাত জীবানুমুক্ত না করা পর্যন্ত নাকে,চোখে,মুখে হাত লাগাবেন না !
৩.টাকা গুনতে জিহ্বায় আঙ্গুল ছোঁয়াবেন না !
৪.অন্য কারো কাছ থেকে নেয়া টাকা প্রথমে ওয়ালেট বা মানিব্যাগে না রেখে আলাদা কিছুতে রাখুন। ঘরে ফিরে জীবানুমুক্ত করে তারপর ওয়ালেটে রাখুন। যেটাতে করে প্রথমে টাকা এনেছিলেন সেটিও সাবানে দিয়ে ধুয়ে জীবানুমুক্ত করে রাখুন।
পয়সার ক্ষেত্রে একই সাবধাণতা প্রয়োজন।

টাকা জীবানুমুক্ত করার জন্য নিচের যে কোনটি করতে পারেন –

১ম বিকল্প :
৬০% এলকোহলযুক্ত সেনিটাইজাজার দিয়ে সব দিক মুছে নিন

২য় বিকল্প:
Disinfectant বা জীবানু নাশক স্প্রে দিয়ে স্প্রে করুন।এটি স্বাস্থের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ তাই পরে শুকিয়ে নিতে হবে।

৩য় বিকল্প:
সারান একটু পানিতে ঘন করে গুলে তার মধ্যে টিস্যু পেপার ভিজিয়ে টাকার সবদিক মুছে নিন।

৪র্থ বিকল্প:
৩ দিন ঘরে নিরাপদে রেখে দিন তারপর ব্যবহার করুন।

৫ম বিকল্প
ইস্তিরী বা আয়রন করে নিন।

💦 ডলার,পাউন্ড বা যে দেশের নোট কাগজের নয় সেগুলো কাপড়ের মত যে কোন উপাদানে ভাইরাসমুক্ত করে নিতে পারেন।

🎽ক্রেডিট কার্ড মেশিনে ব্যবহার করার পর হাত ও কার্ড সেনিটাইজার দিয়ে মুছে নিন। অথবা হাত সেনিটাইজ করুন এবং কার্ডটি নিরাপদে রেখে বাসায় ফিরে ভাইরাসমুক্ত করে নিন।

 

নজরুল কবীর ।সাংবাদিক।লেখক নিউইয়র্ক

Advertisements

মনে রাখবেন শরীরের চামড়া বা যে কোন অংশ দিয়ে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারেনা।

unnamed

নজরুল কবীর ।সাংবাদিক ।লেখক ।নিউইয়র্ক

মনে রাখবেন শরীরের চামড়া বা যে কোন অংশ দিয়ে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারেনা।হাতে,শরীরে বা পোষাকে লেগে থাকলেও ভয় নেই।

👩‍🏭 একমাত্র নাক,মুখ,চোখ দিয়েই শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

🧑🏾‍🎤 বহিরাবরন ব্যবহারের উদ্যেশ্য হল যত বেশি পারা যায় নিজের শরীর ঢেকে রাখা যাতে কোন বস্তুতে লেগে থাকা ভাইরাস আমাদের পোষাকে বা আবরনেই আটকে যায়।

🏚 বাইরে থেকে আমরা ঘরে ফিরে প্রথমেই যাতে ঐ পোষাক,জুতা,মাস্ক,গ্লাভস,ক্যাপ বাইরে রেখেই ঘরে ঢুকি।এগুলো সাবানে ধুতে হবে অথবা নিরাপদ স্থানে ২/৩ দিন রেখে তারপর ব্যবহার করতে হবে।

🗣ঘরে ফেরা পর্যন্ত মাস্ক পরা খুবই জরুরী যাতে বাতাসে ভেসে থাকা ভাইরাস নাক মুখ দিয়ে প্রবেশ করতে গিয়ে মাস্কে আটকে যায়।
👓 চোখে পড়তে গিয়ে চশমায়/ সানগ্লাসে আটকে যায়।
🧟‍♂️ চুলে পড়তে গিয়ে যাতে কাভার/ক্যাপে আটকে থাকে।

✋🏾🤚🏾 সব কিছুতেই আমাদের হাত আগে ব্যবহার হয় বলেই ভাইরাস সবচেয়ে বেশী লেগে থাকে হাতে। তাই হাতই ভাইরাস সংক্রমণের প্রধাণ হাতিয়ার।

🖖🏾 আমাদের হাতটি নাক, মুখ,চোখে লাগানো সবচেয়ে বিপদজনক।এই সম্ভাবনা রুখে দেয় মাস্ক।হাত ধুয়ে জীবানুমুক্ত করার পরও যদি আপনি নিজের মাস্কে বা পোষাক, চশমা, চুল, ক্যাপে হাত দেন তাহলে হাতে আবার ভাইরাস লেগে থাকবে।

🛁 সে কারনেই ঘরে বা বাইরে যে কোন কিছু ধরার সঙ্গে সঙ্গে হাত ২০সে: সাবানে ধুয়ে নিতে হয়।তাতে করোনা ভাইরাস মরে যায়।

💎 বাইরে থাকা অবস্থায় হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার সবচেয়ে সহজ কারন তখন হাতের কাছে সাবান পানি থাকেনা। যে কোন জিনিস হাত দিয়ে ধরে পকেটে থাকা সেনিটাইজার দিয়ে চট করে মুছে হাত জীবানুমুক্ত করে নেয়া যায়। তবে তা কমপক্ষে ৬০% এলকোহল যুক্ত হতে হবে।

🙌🏾 💦 এমন সেনিটাইজার বা গ্লাভস না পেলে ভয় পাবার কারন নেই।যতক্ষন না আপনি সাবান দিয়ে হাত দুটি জীবানু মুক্ত করছেন তার আগে নাক,মুখ,চোখে যেন আপনার হাত না যায় !

💦 💎🏦 যদি এসবের কিছুই ব্যবহার না করেন তাহলে চুলে বা মাথায় ভাইরাস লেগে থাকার সম্ভাবনাই বেশী।শেম্পুতে ভাইরাস মরেনা তাই বাইরে চুল ঢেকে রাখাই উচিৎ।

🛁 নিজের বাসায় ঢোকার আগে হাত সাবানে ২০ সে: ধুয়ে নিন। তাতে দরজার হ্যান্ডেল পানির ট্যাপ এসবে আপনার হাত থেকে ভাইরাস সংক্রমণ হবার সম্ভাবনা থাকবেনা।

🏦 প্রথমেই গোসল করে নিন।সাবানের গোসলে ভাইরাস গুলো যেন মরে যায়।

* জনস্বার্থে আপনিও শেয়ার করুন।

ইতালি নিউইয়র্ক থেকে শিক্ষ্যা না নিলে বাংলাদেশ কে করোনার চরম মূল্য দিতে হবে:আক্রান্তের সংখ্যা দুইশ’ ছাড়াল

92434305_10217115995992305_7385243140745068544_n

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দুইশ’ ছাড়াল। ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৪ জনের শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২১৮ জনে পৌঁছাল। একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমিত আরও তিনজন মৃত্যুবরণ করেছেন। এতে মৃতের সংখ্যা ২০-এ পৌঁছাল।

সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। আর গত ৬ এপ্রিল ৩৫ জন আক্রান্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে তা ১২৩ জনে পৌঁছায়। এর দু’দিন পরই তা দুইশ’ অতিক্রম করে ২১৮ জনে পৌঁছাল। অর্থাৎ জ্যামিতিক হারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। প্রথম সংক্রমণের ২৮ দিনের মাথায় একশ’ অতিক্রম করা এই ভাইরাসে গত দু’দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৫ জন। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ১৫টিতে এরই মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক সমকালকে বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্নেষণ করে দেখা যায়, চীন থেকে শুরু করে ইউরোপের দেশ ইতালি-স্পেন ও যুক্তরাষ্ট্রে শুরুর দিকে দু-একজনের মাধ্যমে সংক্রমণ শুরু হয়েছিল। একটি পর্যায় পর্যন্ত আস্তে আস্তে বেড়ে হঠাৎ করে তা দ্বিগুণ তিনগুণ হারে বেড়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা বহুগুণ আকারে বেড়েছে। বাংলাদেশও সেদিকে এগোচ্ছে। প্রথম সংক্রমণের পর মার্চ পর্যন্ত দুই থেকে ছয়জনের মধ্যে সংক্রমণ সীমাবদ্ধ ছিল। এপ্রিল থেকে তা বাড়তে থাকে। গত তিন দিনে তা জ্যামিতিক হারে বেড়ে দুইশ’ ছাড়িয়ে গেছে। পরে তা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা এই জনস্বাস্থ্যবিদের।

পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিধি এখনও অপ্রতুল হওয়ার কারণে ভাইরাসটি ঠিক কত জেলায় ছড়িয়েছে, সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিদিন এক হাজার পরীক্ষা-নিরীক্ষার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও স্বাস্থ্য বিভাগ তা এখনও অর্জন করতে পারেনি। করোনার সার্বক্ষণিক হিসাব রাখা ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বর্তমানে বিশ্বের ২০৯টি দেশ ও অঞ্চলে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিশ্বের যে ক’টি দেশে পরীক্ষা-নিরীক্ষা কম হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বাংলাদেশ আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার চেয়েও পিছিয়ে রয়েছে। প্রতি ১০ লাখে গাম্বিয়ায় ৩৪ জনের পরীক্ষা করা হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে এই সংখ্যা ২৬ জন। বাংলাদেশের নিচে থাকা নাইজেরিয়া, মিয়ানমার ও হাইতিতে ২৪ জন করে, ইথিওপিয়ায় ২২ জন, মোজাম্বিক ও মৌরিতানিয়ায় ১৪ জন করে এবং সবার নিচে পাপুয়া নিউগিনিতে ৮ জনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিদিন অন্তত ১০ হাজার মানুষের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন। সেখানে মাত্র এক হাজার পরীক্ষা করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও তা অর্জিত হয়নি। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিধি আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে সংশ্নিষ্টদের চিন্তাভাবনা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

যেভাবে বাড়ল আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা

প্রথম করোনা শনাক্ত, আক্রান্ত ৩ জন :দেশে গত ৮ মার্চ প্রথমবারের মতো তিনজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়।

আক্রান্ত বেড়ে ৫ : ১৪ মার্চ রাতে আরও দু’জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।

আক্রান্ত বেড়ে ৮ : ১৬ মার্চ আরও তিনজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়।

আক্রান্ত বেড়ে ১০ : ১৭ মার্চ আরও দু’জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়।

প্রথম মৃত্যু ও আক্রান্ত বেড়ে ১৪ : ১৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমিত হয়ে প্রথম এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ৭০ বছরের বেশি বয়সী ওই ব্যক্তি বিদেশফেরত একজনের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়েছিলেন। একই দিন নতুন করে আরও চারজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

আক্রান্ত বেড়ে ১৭ : ১৯ মার্চ নতুন করে আরও তিনজন আক্রান্ত হন।

আক্রান্ত বেড়ে ২০ : ২০ মার্চ আরও তিনজনের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া যায়।

মৃত্যু বেড়ে ২, আক্রান্ত বেড়ে ২৪ : ২১ মার্চ করোনাভাইরাসে দেশে দ্বিতীয় ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ৭০ বছরের বেশি বয়সী ওই ব্যক্তি বিদেশফেরত এক স্বজনের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়েছিলেন। নতুন করে আরও চারজন আক্রান্ত হয়।

আক্রান্ত বেড়ে ২৭ : ২২ মার্চ আরও তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়। প্রথম আক্রান্ত তিনজনের সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যান। আরও দু’জন সুস্থ হয়ে ওঠেন।

মৃত্যু বেড়ে ৩, আক্রান্ত বেড়ে ৩৩ : ২৩ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও একজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা তিনজনে পৌঁছায়। ওইদিন নতুন করে আরও ছয়জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়। আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ জনে পৌঁছায়। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে তিন পুরুষ এবং তিনজন নারী। আক্রান্তদের মধ্যে এক চিকিৎসক ও দু’জন নার্স।

মৃত্যু বেড়ে ৪, আক্রান্ত বেড়ে ৩৯ : ২৪ মার্চ আরও একজনের মৃত্যু হয়। ওইদিন মৃতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে পৌঁছায়। একই সঙ্গে ওইদিন নতুন করে আরও ছয়জনের করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯ জনে পৌঁছায়।

মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ : ২৫ মার্চ প্রাণঘাতী করোনায় আরও একজনের মৃত্যুর খবর জানায় আইইডিসিআর। এ নিয়ে ওইদিন মৃতের সংখ্যা পাঁচজনে পৌঁছায়। তবে ওইদিন নতুন করে কারও শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি। ওইদিন পর্যন্ত আক্রান্ত সাতজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন।

আক্রান্ত বেড়ে ৪৪ : ২৬ মার্চ নতুন করে আরও পাঁচজন আক্রান্ত হন। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪ জনে পৌঁছায়। ওইদিন পর্যন্ত মোট ১১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন।

আক্রান্ত বেড়ে ৪৮ : ২৭ মার্চ নতুন করে দুই চিকিৎসকসহ চারজন করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হন। আক্রান্ত চারজনের মধ্যে দু’জন চিকিৎসক।

আক্রান্ত বেড়ে ৪৯ : ২৮ এবং ২৯ মার্চ পরপর দু’দিন দেশে করোনায় কোনো আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ২৮ মার্চ আরও চারজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। ওইদিন পর্যন্ত ১৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। টানা দু’দিন পর ৩০ মার্চ নতুন করে একজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়। ওইদিন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন ১৯ জন।

আক্রান্ত বেড়ে ৫১ : ৩১ মার্চ আরও দু’জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

আক্রান্ত বেড়ে ৫৪ এবং ও মৃত্যু ৬ : ১ এপ্রিল নতুন করে আরও তিনজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়। ওইদিন আরও একজনের মৃত্যু হয়।

আক্রান্ত বেড়ে ৫৬ : ২ এপ্রিল আরও দু’জনের শরীরে সংক্রমণ পাওয়া যায়।

আক্রান্ত বেড়ে ৬১ : ৩ এপ্রিল আরও পাঁচজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়।

আক্রান্ত বেড়ে ৭০, মৃত্যু বেড়ে ৮ : ৪ এপ্রিল আরও ৯ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়। ওইদিন আরও দু’জনের মৃত্যু হয়।

আক্রান্ত বেড়ে ৮৮, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ : ৫ এপ্রিল ১৮ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়। ওইদিন আরও একজনের মৃত্যু হয়।

আক্রান্ত বেড়ে ১২৩, মৃত্যু বেড়ে ১২ : গত ৬ এপ্রিল আরও ৩৫ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়। আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।

আক্রান্ত বেড়ে ১৬৪, মৃত্যু বেড়ে ১৭ : গত ৭ এপ্রিল আরও ৪১ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়। একইসঙ্গে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়।

নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর তথ্য : গতকাল দুপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে ৩৩ পুরুষ এবং ২১ জন নারী। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৩৯ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা। একজন ঢাকার পার্শ্ববর্তী একটি উপজেলার বাসিন্দা। বাকিরা ঢাকার বাইরের বাসিন্দা।

আগের দিন ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এলাকাভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করলেও গতকাল ডা. ফ্লোরা তা করেননি। একই সঙ্গে গত দু’দিন ধরে সাংবাদিকদের প্রশ্ন করার সুযোগ রাখা হয়নি। এতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশ করা তথ্য ছাড়া অন্য কিছুই জানার সুযোগ মিলছে না। অবশ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একে হেলথ বুলেটিন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

এ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৯৮১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ঢাকায় ৫৬৩টি এবং ঢাকার বাইরে ৪২৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে পাঁচ হাজার ১৬৪ জনের। তাদের মধ্যে ২১৮ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়।

নিউইয়র্কে বেকার ভাতার জন্য ফোন করতে হবে না

90325330_830018080809323_3233319670408806400_n

 

তোফাজ্জল লিটন ।নিউইয়র্ক ।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বেকার ভাতা পাওয়ার জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ শ্রম বিভাগে ফোন করে হতাশ হচ্ছেন। এখন থেকে তাদের আর ফোন করতে হবে না। আবেদন করার ৩ দিনের মধ্যে শ্রম বিভাগ নিজে ফোন করবে। এজন্য এক হাজার কল সেন্টার কাজ শুরু করেছে।

নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে তার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।

কুমো বলেন, আপনি যখন থেকে বেকার হয়েছেন তখন থেকেই ভাতা পাবেন। আমাদের নতুন পদ্ধতি আপনার জন্য কাজ করছে কি-না তা আমাদের জানতে দিন। jessyedwards@me.com এই ই-মেইলে আপনার কথা আমাদের জনান।

বেকার ভাতা আবেদনের সবচেয়ে বড় সমস্যাটি হলো, অনলাইনে বেকার ভাতার জন্য ফাইল করার পরে অনেক আবেদনকারীকে তাদের বিবরণ যাচাইয়ে বিভাগকে ফোন করতে বলা হয়েছিল। জনবলের অপর্যাপ্ততার কারণে লাখ লাখ ফোনের উত্তর দেয়া সম্ভব হয়নি।

নিউইয়র্ক কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ৮ লাখ ১০ হাজার জন বেকার ভাতার আবেদন করেছে। এর মধ্যে ৬ লাখের আবেদন প্রক্রিয়াজাত করা হয়েছে। দুই লাখেরও বেশি আবেদন এখনও অনিশ্চয়তায় রয়েছে।

নিউইয়র্কে বসবাসকারীদের যারা সাপ্তাহিক বেকার ভাতার জন্য আবেদন করেছেন, তাদের অনেকে শ্রম বিভাগে হাজার বার কল করার কথা জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব লেবার ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে নতুন আবেদনগুলেঅ সম্পূর্ণরূপে পাওয়া যাবে। বেকার ভাতার সুবিধা এখন ৩৯ সপ্তাহ পর্যন্ত পাওয়া যাবে। বুধবারের আগে ছিল ২৬ সপ্তাহের জন্য। প্রচলিত সুবিধার বাইরে প্রত্যেক আবেদনকারী অতিরিক্ত ছয়শত ডলার পাবেন বলে শ্রম বিভাগ জানিয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রে করোনা মহামারির আগে বেকারত্বের হার ছিল শতকরা সাড়ে ৩ ভাগ। এখন হয়েছে ১৩ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে একদিনে আরও এক হাজার ৪৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ২৩১ জনে। এদিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আরও ২১ হাজার ৭৮৫ জনে।

করোনায় বেশি বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য। শুধু নিউইয়র্কে করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখন ১ লাখ ৫০ হাজারের কাছাকাছি। সেখানে করোনায় আক্রান্ত দেড় লক্ষাধিক মানুসের মধ্যে ৬ হাজারের বেশি মারা গেছে।

করোনা প্রতিরোধে গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চৌঘরী ও গোয়াসপুরে প্রশংসনীয় উদ্যোগ

লকডাউন,ত্রাণবিতরণ সহ সচেতনতামূলক কাজে সরকারের সাথে যুগপৎ কাজ করে যাচ্ছেন সিলেটের গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চৌঘরী এবং গোয়াসপুর গ্রামবাসী।দেশব্যাপী লকডাউন অমান্য করে রাস্তাঘাট সহ বাজারহাটে অপ্রয়োজনে জটলা পাকিয়ে সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে মানুষজন দেদারছে চলাফেরা করছেন।প্রাণঘাতী করোনা থেকে দেশের মানুষকে বাঁচাতে পুলিশ প্রশাসনের যেখানে বেগ পেতে হচ্ছে সেখানে গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের পাশাপাশি এই দুই গ্রামের চিত্রটি পুরোপুরি ভিন্ন।

 

তরুণেরা প্রবীণদের সহযোগীতায় ও নির্দেশনায় করোনা ঠেকাতে সরকারের পাশাপাশি হাতে নিয়েছে নানা সচেতনতামূলক প্রদক্ষেপ।তন্মধ্যে পুরো গ্রাম আনুষ্ঠানিক লকডাউন ঘোষণা,গ্রামের অসহায়,দীনমজুরদের জন্য করোনাকালীন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবারদাবার সরবরাহে দেশে প্রবাসে বিত্তবানদের সহযোগীতায় গঠন করা হয়েছে আর্থিক ফান্ড।চৌঘরী গ্রামের স্বেচ্ছাসেবী তরুণদের মুখপাত্র অলিউর রহমান বলেন,করোনা ঠেকাতে সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি।

 

সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে সবার সম্মতিতেই পুরো গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে।জরুরী কাজে কেউ বের হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা  হচ্ছে এবং গ্রামের প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা হয়েছে যাতে জীবাণু থেকে সুরক্ষায় মানুষজন তা ব্যবহার করে গ্রামে প্রবেশ কিংবা বাহির যেতে পারেন।ইতোমধ্যে হতদরিদ্র পরিবারে প্রয়োজনীয় খাবার পৌঁছে দেয়া হয়েছে।মহামারীতে খাদ্য সহায়তা এবং সচেতনতামূলক কাজ অব্যাহত রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 


পার্শ্ববর্তী গ্রাম গোয়াসপুরেও সম্মিলিতভাবে নেয়া হয়েছে সচেতনতামূলক নানা কর্মসূচী।গ্রামের প্রবীণদের সমন্বয়ে দেশে প্রবাসে অবস্থানরত বিত্তবানদের নিয়ে গঠিত হয়েছে করোনাকালীন ত্রাণ তহবিল।গোয়াসপুর গ্রামের প্রবীণ মুরব্বী হাজী তমজ্জুল আলী তুতা মিয়া,হাজী কুনু মিয়া,আব্দুল ওয়াহিদ সুয়া মিয়া,জয়নাল আবেদিন,আবুল হাসনাত,ফজিব আহমদ,আব্দুল আলিম,ফয়ছল আহমদ,কয়েস শাহরিয়ার সহ অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী তরুণেরা গ্রামের অসহায় মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন।হাজী কুনু মিয়া বলেন গ্রামের সবাই স্বউদ্যোগে,স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে আছেন।গরীব,শ্রমিক ও অসহায় মানুষকে সরকারী বরাদ্দের পাশাপাশি সাহায্যের জন্য গ্রামের বিত্তবানরাও এগিয়ে এসেছেন।ইতোমধ্য গ্রামের প্রবাসীরা একটি ত্রাণ তহবিল গঠন করেছেন।প্রবাসীদের এ উদ্যোগের সাথে গ্রামের চাকরিজীবি ও ব্যবসায়ীরাও একাত্মতা পোষণ করেছেন।করোনা প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত প্রদক্ষেপের তিনি প্রশংসা করেন।

ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন করোনা দমনে সহায়ক

031920_ts_covid-conspiracies_feat-1028x579

চীনের উহান শহর থেকে করোনা এখন সারাবিশ্বেই ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বের ২০৯টি দেশ ও অঞ্চলে করোনা আঘাত হেনেছে। এখন পর্যন্ত করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে।

দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৬০। অপরদিকে মারা গেছে ১৪ হাজার ৯৭৯ জন। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ২২ হাজার ৮৯১ জন। তবে ৯ হাজার ২৭৯ জনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক।

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যেই করোনার প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে নিউইয়র্ক এবং নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যে। সেখানে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলছেন, দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে যে মহামারি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা থেকে বেরিয়ে আসতে নজিরবিহীন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে ১০টি ওষুধ সাম্প্রতিক সময়ে করোনার চিকিৎসায় পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এখনও পর্যন্ত করোনার নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ বা ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়নি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা করোনার ভ্যাকসিন তৈরির আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিনের প্রয়োগ শুরু হয়েছে। আগামী ১ বছর থেকে ২ বছরের মধ্যেই করোনার চূড়ান্ত ভ্যাকসিন হাতে পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে, বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, মার্কিন চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীরা এগিয়ে এসেছেন। দশটি ওষুধ চিকিৎসাক্ষেত্রে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারের জন্য আমাদের হাতে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, করোনার চিকিৎসায় যেন কোনো ধরনের বিলম্ব না হয় এবং নতুন নতুন থেরাপি তৈরি করতে তার প্রশাসন করোনার বিরুদ্ধে নজিরবিহীন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকরা, ল্যাবের কর্মীরা যেভাবে এগিয়ে এসেছেন আমি আশা করছি নিকট ভবিষ্যত খুব খুব বিশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে, এক প্রশ্নের জবাবে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেছেন, চারটি ভিন্ন পরীক্ষামূলক চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই ওষুধটিকে কোভিড-১৯য়ের চিকিৎসায় কার্যকরী হতে পারে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য এবং ওষুধ বিষয়ক প্রশাসন।

এদিকে, বিশ্বে হাইড্রোক্সিক্লােরোকুইনের সবচেয়ে বড় উৎপাদনকারী দেশ ভারত যুক্তরাষ্ট্রে এই ওষুধটি রফতানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। গত সপ্তাহে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপের পরেই এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরী এখন করোনাভাইরাসের মূল কেন্দ্রবিন্দু

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরী এখন করোনাভাইরাসের মূল কেন্দ্রবিন্দু। নগরীর বেশির ভাগ করোনা সংক্রমণ হয়েছে ইউরোপ থেকে। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য আরও বলা হয় নিউইয়র্ক সিটিতে প্রথম রোগী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার এক সপ্তাহ পূর্বেই ভাইরাসটি নগরীতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর নিউইয়র্ক টাইমস।

গবেষণায় বলা হয়েছে,  বিশ্বে এখন সবচেয়ে ভয়াবহতা বেশি যুক্তরাষ্ট্রে। তার মধ্যে নিউইয়র্ক রাজ্যের অবস্থা মারাত্মক। সেখানে করোনাভাইরাস বহন করে নিয়েছেন ইউরোপের ভ্রমণকারীরা।

90325330_830018080809323_3233319670408806400_n

মাউন্ট সিনাইয়ের ইকাহন স্কুল অব মেডিসিনের হার্ম ভ্যান বাকেল বলেন, স্পষ্টতই বেশির ভাগ সংক্রমণ ইউরোপিয়ানদের মাধ্যমে হয়েছে। এনওয়াইইউ গ্রোসম্যান স্কুল অব মেডিসিনের একটি আলাদা টিমও একই রকম কথা বলেছে।

ট্রাম্প ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিরোধ বাড়ছে

Trump Inauguration

করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে নজিরবিহীন সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘চীন কেন্দ্রিক’ ট্রাম্প এমন মন্তব্য করার পর তারা এটা নিয়ে রাজনীতি করা থেকে বিরত থাকতে মার্কিন প্রেসিডন্টকে অনুরোধে করেছে।

বিশ্বজুড়ে মহামারির মধ্যে তুঙ্গে পৌঁছেছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের টক্কর। ইতোমধ্যেই মৃত্যুর সংখ্যায় চীনকে ছাপিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর চীনের সঙ্গে মার্কিন মুলুকের কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছেই।এর আগে একাধিকবার ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, করোনার প্রকোপ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করছে চীন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ, করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের যে সংখ্যা দেখাচ্ছে চীন, তাতে গলদ আছে। আসল তথ্য চেপে পুরো বিশ্বকে ধোঁকা দিচ্ছে তারা। নিজেদের দেশে ভাইরাস আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা লঘু করে দেখানোর চেষ্টা করছে চীন।সংক্রমণ থেমে যাওয়ার যে দাবি তারা করেছে সেটাও সত্যি নয়। চীনের সঙ্গে মিলে গেছে ডব্লিউএইচও-ও।

 

চীনের অনৈতিক কাজে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মদদ আছে বলে মনে করছেন তিনি। এমনকি সংস্থাটির আর্থিক অনুদান বন্ধ করার হুমকিও দিয়েছেন ট্রাম্প।   মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন আক্রমণের পরই পাল্টা রুখে দাঁড়িয়েছে ডব্লিউএইচও। সংস্থাটির প্রথম আফ্রিকান প্রধান টেডরোজ আধানম কড়া ভাষায় ট্রাম্পকে আক্রমণ করে বলেছেন, করোনা নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার প্রয়োজন নেই।

রাজনীতির ময়দানে সুবিধা হাতানোর অন্য অনেক পথ আছে। আপনি যদি আরও কফিন দেখতে না চান তাহলে এই মহামারি নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করুন।এদিকে ট্রাম্পকে তুলোধোনা করলেও করোনা মোকাবিলায় গাফিলতির অভিযোগে নিয়ে খানিকটা ব্যাকফুটে গিয়ে টেডরোজ বলেন, ডব্লিউএইচও-এর কর্মীরাও মানুষ। আর মানুষ মাত্রই কিছু ভুল হতেই পারে। তবে এখন আমরা মানুষের জীবন বাঁচানো নিয়ে লড়াই করছি। এই বিশ্বে আমি একটি ক্ষুদ্র কণিকা মাত্র। আমাকে কেউ নিশান করলেও, তা নিয়ে আমি ভাবিত নই। সব মিলিয়ে, এই বিপর্যয়ের মধ্যে যে সংঘাতের দিকে দ্রুত এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ডব্লিউএইচও তা স্পষ্ট।

যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালের কর্মীরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

image-293504-1585350098
ফাইল ছবি

 

একাধিক হাসপাতালের কর্মীরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মেট্রো ডেট্রয়েটের দুইটি বড় হাসপাতালের  অন্তত ২ হাজার ২০০ কর্মীর শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে। এতে আতঙ্ক বেড়েছে স্বাস্থ্য কর্মীদের মধ্যে।

বড় হাসপাতাল বিউমন্ট হেলথ এবং ডেট্রয়েটে হেনরি ফোর্ড। হেনরি ফোর্ডের মোট ৭৩৪ কর্মীর শরীরে কোভিড-19 ধরা পড়েছে। হাসপাতালের মুখ্য ক্লিনিকাল অফিসার ডা. আদনান মুনকারাহ এই তথ্য জানিয়েছেন।গেল ১২ মার্চ থেকে তাদের পরীক্ষা শুরু হয় বলে সম্প্রতি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন মুনকারাহ। এতে ৫টি হাসপাতালের ৩১ হাজার ৬০০ কর্মীর মধ্যে ২ দশমিক ১ ভাগ কোভিড-19 এ আক্রান্ত হয়। এটা নিশ্চিত নয় যে তারা চিকিৎসা দিতে গিয়ে না অন্য কোনও গোষ্ঠীর মাধ্যমে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। এছাড়া আরও অনেকে কোয়ারেন্টিনে আছেন। হেনরি ফোর্ডে চিকিৎসার সময় ব্যক্তিগত সুরক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ভিজিটরদের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে বলে জানান মুনকারাহ।বিউমন্ট হেলথের মুখপাত্র মার্ক গিয়েরি জানান, ৩৮ হাজার কর্মীর মধ্যে ১৫শ’কোয়ারেন্টইনে। কারণ তাদের করোনাভাইরাসের উপসর্গ রয়েছে। ৩ দশমিক ৯ ভাগ কোয়ারেন্টিনে। তাদের সাতদিন বাড়িতে থাকতে হবে। এই উপসর্গ থেকে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা বাড়িতে থাকবে বলে জানান গিয়েরি। এ সময় তাদের বেতন যথাযথ পরিশোধ করা হবে বলে তিনি জানান।

নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন বার্নি স্যান্ডার্স

iii-samakal-5e8ebe33bacbb

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বাছাইয়ের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। স্থানীয় সময় বুধবার প্রচার দলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্বাচনী প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত জানান। এরপর অনলাইনের মাধ্যমে লাইভে এসে তিনি সমর্থকদের নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বামপন্থি স্যান্ডার্স সরে দাঁড়ানোয় ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সামনে আর কোনো বাধা থাকল না।

অর্থাৎ ২০২০ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে জো বাইডেনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গেল।

অনলাইন লাইভে এসে সমর্থকদের উদ্দেশে ৭৮ বছর বয়সী স্যান্ডার্স বলেন, এই লড়াইয়ে সফল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি না। ফলে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি। ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে বাইডেন মনোনয়ন পাচ্ছেন, তাকে অভিনন্দন। আশা করি, বাইডেন আমাদের প্রগতিশীল ধারণাগুলো এগিয়ে নিতে সহায়তা করবেন।

২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বাছাইয়ের লড়ায়ে ছিলেন স্যান্ডার্স। সে সময় হিলারি ক্লিনটনের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাকে।

এবারের মনোনয়ন লড়াইয়েও বেশ শক্তিশালী অবস্থানে ছিলেন স্যান্ডার্স। আইওয়া ককাস ও নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রাইমারি নির্বাচনে জিতেছিলেন তিনি। আরও কয়েকটি রাজ্যেও প্রাইমারি ও ককাসে ভালো ফল করে একেবারে শীর্ষে উঠে আসেন স্যান্ডার্স।

তবে গত কয়েক সপ্তাহের প্রাইমারি নির্বাচনী লড়াইয়ে বাইডেনের পেছনে পড়ে যান স্যান্ডার্স। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই তরুণ ভোটারদের মধ্যে ভীষণ জনপ্রিয়তা থাকা সত্বেও নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন স্যান্ডার্স।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংকটের কারণে ডেমোক্র্যাটদের বাকি প্রাইমারি নির্বাচনগুলো স্থগিত করা হয় সম্প্রতি।

মানবিক বাংলাদেশ হারবে না।

82353195_3038958969448588_3762010692639522816_o

মোজাম্মেল কবীর ।কবি লেখক । ঢাকা

 

বিশ্বজুড়ে মহামারী সংকটে যখন দেশে লাখ লাখ মানুষ কর্মহীন। পরিবারের দৈনন্দিন খাদ্য চাহিদার যোগান দিতে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। এর মধ্যেও প্রতিদিন পত্রিকার পাতায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর আসছে সরকারের ত্রানের চাল চুরি করে বিক্রি করছে সমাজের সেবক নামধারী কিছু অসাধু মানুষ, এতো কিছুর পরেও কিছু আশা জাগানিয়া খবরে চোখ ভিজে যায়। এটি তেমনই একটি খবর।


“মানবতার ঘর” নামে ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি প্রথম নেয় ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি সিলেট বিভাগীয় শাখা। একই উদ্যোগ পর্যায়ক্রমে দেশের বেশ কয়েকটি জায়গায় নিতে দেখা যায়।

92910460_3225812587429891_8129640399972073472_n


নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নেও শুরু করা হয়েছে ‘মানবতার ঘর’ নামে দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য বিতরণের এমন কাজ। এনায়েতপুর ইউনিয়নের কালুশহর এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের পাশে একটি ছোট্ট ঘরের ব্যানারে লেখা রয়েছে, ‘সচ্ছল-অসচ্ছল মানুষের মেলবন্ধন’। আরও লেখা রয়েছে ‘অতিরিক্ত খাবার রেখে যান, প্রয়োজনীয় খাবার নিয়ে যান। সচ্ছলরা এই ঘরে রেখে যাচ্ছেন তাদের অতিরিক্ত খাবার। ঘরের দেয়াল ঘেঁষে বিভিন্ন তাক ও বেঞ্চের ওপর সাজিয়ে রাখা হয়েছে খাদ্যসামগ্রীর ব্যাগ। এখানে রাখা খাদ্য সামগ্রী নিয়ে যাচ্ছেন হতদরিদ্র মানুষেরা। এই দুর্যোগের সময় গোটা দেশের জন্য এটি একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। মানবিক বাংলাদেশ হারবে না।

পুলিশ মানবিক আর অসৎ পুলিশ রাজনৈতিক প্রোডাক্ট !

This slideshow requires JavaScript.

শরিফুল ইসলাম । নিউইয়র্ক

বর্তমান বৈশ্বিক দূর্যোগে দেশের ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে চলেছে, প্রতিদিন পত্রপত্রিকার মাধ্যমে পুলিশের অতিমানবিক ভূমিকার অনেক গল্প চোখে পড়লেও লকডাউন শুরু হবার পর এখন পর্যন্ত সর্বাধিক বদনামী পেশা (?) পুলিশ এর কোন সদস্যের দূষ্কর্মের কোন খবর চোখে পড়েনি।

পক্ষান্তরে, যাদের ভূমিকা সবচেয়ে অগ্রগামী হবার কথা ছিল সেই অতি মানবিক ডাক্তারী পেশা আজ কতটা অমানবিক তা সামাজিক ও গণমাধ্যমের কল্যাণে আমরা প্রতিদিন দেখতে পাচ্ছি। শাস্তির হুমকি বা প্রনোদনার আশ্বাস দেওয়া হলেও রুটিন দায়িত্ব পালনে বাধ্য/উৎসাহিত করা যায়নি।

আবার, দুস্থ গৃহবন্দী কর্মহীন ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারী অনুদানের ত্রাণসামদ্রী চুরি করবার মত জঘন্য কাজ কতটা অমানবিক রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পক্ষে সম্ভব তা প্রতিদিনই দেখছি। যে দেশে পঙ্গু ভিক্ষুক সন্চয়ের বার হাজার টাকার পুরোটাই ক্ষুধার্ত প্রতিবেশির মাঝে বিলিয়ে দিচ্ছে সেই একই দেশের শত শত রাজনৈতিক নেতা ভিক্ষুক ও অসহায়দের জন্য সরকারী বরাদ্দের পুরোটাই পকেটস্থ করছে, ছবি তোলার পর ত্রাণ কেড়ে নিচ্ছে, সাহায্য না দিয়ে মারধর করছে আবার সর্বত্রই সাহায্যের চেয়ে ফটোসেশনই গুরুত্ব পাচ্ছে।

বিপদেই প্রকৃত বন্ধুর পরিচয় পাওয়া যায়। তাহলে কি আমরা ধরেই নিব পেশার মূল্যায়নে পুলিশই সবচেয়ে জনবান্ধব। যদি তাই হয় তবে অবশ্যই মানতে হবে- অসৎ পুলিশ রাজনৈতিক প্রোডাক্ট, কারণ ছোট বড় সকল অপরাধ সংঘটনের আগে অথবা পরে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করে।

ঘরে থাকুন- সুস্থ থাকুন- সুস্থ রাখুন