Skip to content

বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা কভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসের টিকা আবিস্কারের চেষ্টা করছেন।

করোনার টিকা তৈরিতে নতুন পদক্ষেপ

বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা কভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসের টিকা আবিস্কারের চেষ্টা করছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা এ ভাইরাসের টিকা আবিস্কারের জন্য ব্যবহার করছেন পার্টিকেল অ্যাকসেলেরেটর নামের একটি যন্ত্র। এ যন্ত্র ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড ব্যবহার করে চার্জযুক্ত কণাকে দ্রুত এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে নিক্ষেপ করতে পারে। মূলত করোনাভাইরাসের প্রোটিন বিশ্নেষণ করতেই এ যন্ত্র ব্যবহার করছেন তারা।

দক্ষিণ গোলার্ধে রাখা সবচেয়ে বড় পার্টিকেল অ্যাকসেলেরেটরটি ব্যবহার করছেন অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা। দ্রুত করোনাভাইরাসের টিকা আবিস্কার করতেই এ যন্ত্রটি ব্যবহার করা হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

মেলবোর্নের দ্য অস্ট্রেলিয়ান সিনক্রোট্রন নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা করোনাভাইরাসের টিকা তৈরির এ কাজে যুক্ত রয়েছেন। তারা ইলেকট্রন থেকে নিঃসরিত তীব্র মাত্রার রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে পার্টিকেল অ্যাকসেলেরেটরের মধ্যে চালান করছেন। গবেষণা দলের পরিচালক অ্যান্ড্রু পেলে বলেন, নভেল করোনাভাইরাসের ভেতর কোন ধরনের প্রোটিন রয়েছে তা খুঁজে বের করতেই এ কাজ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, যে কোনো ভাইরাসের মতোই করোনাভাইরাসের উপরিভাগও প্রোটিন-সমৃদ্ধ। ভাইরাসের টিকে থাকার অন্যতম উপাদান প্রোটিন। ভাইরাসের এ প্রোটিন সংক্রমিত হওয়া টিস্যু নষ্ট করে দেয়। সাধারণ অর্থে ভাইরাসের প্রোটিনকে বলা হয় ভাইরাল প্রোটিন।

পার্টিকেল অ্যাকসেলেরেটরকে এক ধরনের অনুবীক্ষণ যন্ত্রের মতো ব্যবহার করছেন অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা। এর মাধ্যমে তারা ভাইরাসের প্রোটিনের একটি পরমাণু পর্যায়ের ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরির চেষ্টা করছেন, যা বিশ্নেষণ করে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা বা ওষুধ আবিস্কার করা সম্ভব। অর্থাৎ নভেল করোনাভাইরাসের প্রোটিনকে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্নেষণ করতে পারলেই একে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিজ্ঞানীরা করোনাভাইরাসের প্রোটিনের নমুনা পাঠাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার গবেষণা দলটির কাছে। এ দলটি সেসব নমুনাও পরীক্ষা করে দেখছেন। সূত্র :এএফপি।

%d bloggers like this: