Advertisements
Skip to content

রাণাপিং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আমার স্মৃতিচারণ।আব্দুল মুকিত

ঐতিহ্যবাহী মুরারী চাঁদ মহাবিদ্যালয়ে রসায়নে সম্মান পড়তে গিয়ে ড. সিরাজুল ইসলাম, ড. আব্দুল আজিজ (পরে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান) গং কয়েকজন স্বনামধন্য অধ্যাপকের অনুপ্রেরণায় জীবনে শিক্ষকতা পেশা বেঁেছ নেই এবং ১৯৭৮ সালে স্থানীয় এম সি অ্যাকাডেমিতে যোগদান করি। এলাকায় থাকার সুবাদে সমাজকর্মেও জড়িয়ে যাই। ঊনিশ’ আশির দশকের গোড়ার দিকে ‘রায়গড় সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ে’র পাশে এলাকার মুরব্বীয়ান ও সহপাঠীদের নিয়ে একটি জুনিওর হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেই। কিন্তু প্রচুর জমি পাওয়ার পরেও সঠিক উদ্যোগের অভাবে এ প্রয়াস ব্যর্থ হয়। পরে জীবিকার তাগিদে ১৯৮৩ সালে সৌদি আরবে চলে যাই। প্রথম শ্রেণির রেস্টুরেন্টের মনোরম পরিবেশে বারো-তের ঘন্টা কাজ করে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়তাম শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুমে। কিন্তু চার বছরের চাকুরীজীবনে পেশাগত স্বপ্ন কোনো দিনই দেখি নাই। প্রায়ই স্বপ্নে দেখতাম শিক্ষকতা করছি। এ যেন এক দারুণ নেশা। ওমরা পালন শেষে ১৯৮৬ সালের ২৫ মে দেশে আসার প্রাক্কালে আমার জনৈক সহকর্মী বলেছিল, ‘মাস্টার প্রচুর টাকা পয়সা নিয়ে দেশে যাচ্ছ, মাস্টারি পেশাটা ছেড়ে দিয়ে ব্যবসা করতে চেষ্টা করিও।’ কিন্তু বন্ধুর কথা রাখা গেল না। পুরনো নেশায় বিভোর হয়ে আবারও ১৯৮৬ সালের জুলাই মাসে রণকেলীস্থ ’গোলাপ কুঁড়ি কিন্ডার গার্টেনে’ যোগদান করি।
দেশে আসার পর ‘রায়গড় সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ে’র প্রধান শিক্ষক জনাব মর্তুজা আলী এবং আমার ছাত্র বেলাল আহমদ রায়গড়ে একটি জুনিওর স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে আমাকে জানান। তারা আমাকে প্রয়োজনীয় ফান্ড দেবার আশ্বাস দিয়ে ১৯৮৭ সালের জানুয়ারি থেকে উক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অতিরিক্ত কক্ষে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণিতে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণেরও আহবান জানান। কিন্তু যোগাযোগ অসুবিধা এবং প্রত্যন্ত এলাকায় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ-সম্ভাবনা সম্পর্কে আমি পূর্ব থেকেই সন্ধিহান ছিলাম, তাই প্রস্তাবটি এড়িয়ে যাই। তাদের নিকট থেকে আরও জানতে পারলাম, ‘চৌঘরী গোয়াসপুর সরকারি প্রাইমারি বিদ্যালয়ে’ দু’তিনটি উদ্যোগ ইতঃপূর্বে গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় জমির অভাবে উদ্যোগগুলো বাস্তবের মুখ দেখে নি। কিন্তু মূল সড়কের পার্শ্ববর্তী চৌঘরীর মুড়ে একটি উচ্চবিদ্যালয় স্থাপন করা জরুরী তা আমি পূর্ব থেকেই অনুভব করতাম।
১৯৬০-এর দশকে ‘কালিদাসপাড়া জুনিওর হাইস্কুল’ প্রতিষ্ঠিত হয়েও সঠিক পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যায়। তহিপুর ও গোয়াসপুরে বার বার উদ্যোগ নিয়েও উদ্যোক্তাগণ ব্যর্থ হন। পরিশেষে ১৯৮৬ সালের নভেম্বর মাসে ফারুক আহমদ (গোয়াসপুর), জনাব আব্দুল খালিক (গোয়াসপুর), ডা. আলাউদ্দিন (গোয়াসপুর), হোসেন আহমদ (চৌঘরী), হাজি আব্দুল মনাফ (গোয়াসপুর), জিয়া উদ্দিন (চৌঘরী), সমসুদ্দিন (হোমিও ডাক্তার, চৌঘরী), মাখন মিয়া (গোয়াসপুর), আব্দুল ওদুদ (চৌঘরী), বদর উদ্দিন (টুনু মিয়া, একাডুমা) প্রমুখ ‘চৌঘরী গোয়াসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ বিভিন্ন সময়ে সভা আহবান করে চাঁদা ধার্য করেও প্রয়োজনীয় জমির অভাবে ব্যর্থ হন।

কিন্তু আমার দেশে আসার সুবাদে এবং আমি একজন সিনিয়র শিক্ষক বিধায় আমারই ছাত্র বিশিষ্ট সাহিত্যিক, গীতিকার ফারুক আহমদ উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে পরামর্শ করে ১৯৮৭ সালের ১৯ জানুয়ারি ‘চৌঘরী গোয়াসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে’ এক সভা আহবান করেন এবং সভায় অংশগ্রহণ করে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করত বিদ্যালয়ের লেখাপড়া সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ের দায়িত্বভার গ্রহণের জন্য আহবান জানান। অধিকন্তু তাঁরই আত্মীয় বিদ্যালয়ের প্রথম দাতা ও প্রতিষ্ঠতা সদস্য, লন্ডন-প্রবাসী জনাব আব্দুল খালিক সাহেবের নিকট থেকে জমি প্রদানের আশ্বাস দেন। উনিশ তারিখের সভায় ব্যাপক উপস্থিতি না হলেও সভায় বিদ্যালয় স্থাপনের অঙ্গীকার করা হয়। সভায় উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে যুক্ত হই আমি নিজে, জনাব রফিক উদ্দিন আহমদ (আনা মিয়া, ঘোগা), আব্দুস শহীদ (গীর্দ্দ), মওলানা শওকত আলী (গোয়াসপুর), ইসমাইল আলী (চৌঘরী), মাশুক আহমদ (চৌঘরী), আজির উদ্দিন (গোয়াসপুর), আব্দুল হেকিম (গোয়াসপুর), হাজি নিসার আলী (একাডুমা), আব্দুর রউফ (গোয়াসপুর), আব্দুল আজিজ (গোয়াসপুর) খোন্দকার ফখর উদ্দিন (মঞ্জুরাবাদ) প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তি। সেদিন কিছু চাঁদার লিস্ট তৈরি করে জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য গণসংযোগের দায়িত্ব দেয়া হয় যুবকদেরকে।
২৩ জানুয়ারি ১৯৮৭ ইং আরেকটি সভা আহবান করা হয়। সে সভায় স্কুলের জমি-সংগ্রহ, বিদ্যালয়ের নাম এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণি চালু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জনাব আব্দুল খালিকের ১০ শতক জমিতে (বর্তমান হাইস্কুলের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে) ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ ইং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য আরেকটি সভা আহবান করে শিক্ষক নিয়োগ, কমিটি গঠন ও শিক্ষাদান আরম্ভ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয় এবং আমাকে বিদ্যালয়টি সরকারি অনুদানলাভ না করা পর্যন্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব সমজিয়ে দেয়া হয়। তখন বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য যে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয় তা ছিল:
আহবায়ক: আব্দুল খালিক (গোয়াসপুর)
সচিব: আব্দুল মুকিত (গীর্দ্দ)
দাতা সদস্য: আব্দুল মজিদ (ময়না মিয়া, গোয়াসপুর)
শিক্ষানুরাগী: তমজ্জুল আলী (তুতা মিয়া, গোয়াসপুর), ইসমাইল আলী (চৌঘরী), তারা মিয়া (গোয়াসপুর), মাখন মিয়া (গোয়াসপুর), জিয়াউদ্দিন (চৌঘরী), মওলানা শওকত আলী (গোয়াসপুর), মওলানা আব্দুল আজিজ (গোয়াসপুর), হোসেন আহমদ (চৌঘরী), আব্দুল অদুদ (চৌঘরী) ও ফারুক আহমদ (গোয়াসপুর)।
মুরব্বীগণ দিয়ে উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয়। পরে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ১১-সদস্যবিশিষ্ট কমিটির প্রয়োজন হলে উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব ফজলুল হককে (তানু মিয়া) সভাপতি এবং জনাব খয়ের উদ্দিন আহমদকে (চুনু মিয়া, একাডুমা) সহ-সভাপতি করা হয়।
বলা বাহুল্য, রাণাপিং আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় এককভাবে কারো কোনো অবদান নেই। বরং এলাকার যুবক-বৃদ্ধ-শিক্ষক-শ্রমিক তথা সকল শ্রেণির মানুষের কিছু না কিছু অবদান আছে। তবে শিক্ষাদানক্ষেত্রে বা বড় অঙ্কের চাঁদা দান করে যাঁরা বিদ্যালয়টিকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসে স্মরণীয় হয়ে আছেন তারা হলেন:
১. শিক্ষকদের মধ্যে:
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক: আব্দুল মুকিত (গীর্দ্দ)
ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক: ফারুক আহমদ (গোয়াসপুর)
সহকারি শিক্ষক: রফিক উদ্দিন (আনা মিয়া, ঘোগা)
সহকারি শিক্ষক: ছাদিক আহমদ (চৌঘরী)
সহকারি শিক্ষক: আসমান উদ্দিন (গোয়াসপুর)
সহকারি শিক্ষক: হোসেন আহমদ (চৌঘরী)
সহকারি শিক্ষক: বদর উদ্দিন আহমদ (টুনু মিয়া, একাডুমা)
সহকারি শিক্ষক: মওলানা আব্দুল লতিফ (মুকাম বাড়ি)
২. দাতাদের মধ্যে রয়েছেন: জনাব আব্দুল খালিক (গোয়াসপুর), আব্দুল মজিদ (ময়না মিয়া, গোয়াসপুর), মওলানা আব্দুল হক (গোয়াসপুর), ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন (লেচু মিয়া, সুন্দিশাইল), তমজ্জুল আলী (তুতা মিয়া, গোয়াসপুর), হাজি নিসার আলী (একাডুমা), লুৎফুর রহমান (রায়গড়), হোসেন আহমদ (চৌঘরী), ড. রেণু লুৎফা (ছত্তিশ), তারা মিয়া খান (বিষ্ণপুর), মাখন মিয়া (গোয়াসপুর), তারা মিয়া (চৌঘরী), মওলানা শওকত আলী (গোয়াসপুর), খয়ের উদ্দিন আহমদ (চুনু মিয়া, একাডুমা), হাবিবুর রহমান (একাডুমা), আলহাজ রফিকুল ইসলাম (চৌঘরী), সামছুল হক (লেচু মিয়া, গোয়াসপুর), আজাদ উদ্দিন (গোয়াসপুর), খোন্দকার ফরিদ উদ্দিন (চৌঘরী), মহিউদ্দিন আহমদ (দাড়িপাতন), আব্দুল মুকিত (প্রয়াত), আব্দুল মুকিত (বাঘা), সুলেমান আহমদ (চৌঘরী), মখলিস মিয়া, তখলিছ মিয়া, রইছ আলী, জি এম গিয়াস (গোয়াসপুর), ছাদ উদ্দিন, আলা উদ্দিন, মাহবুবুর রহমান, আবুল বশর (মিশু, দাড়িপাতন) প্রমুখ।
বিদ্যালয়ের সূচনায় ৬ষ্ঠ শ্রেণির প্রথম ছাত্রী ছিল: নেহারুন বেগম এবং ৭ম শ্রেণির প্রথম ছাত্রী ছিল রাণাপিং আদর্শ শিশুবিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা রওশন হাজান এবং বর্তমান (২০০০) প্রধান শিক্ষিকা নাজমিন আক্তার।
এলাকার জনগণ, ব্যবস্থাপনা পরিষদ ও শিক্ষকম-লীর প্রচেষ্টায় অতি দ্রুত বিদ্যালয়টি সরকারি অনুমোদনলাভের যোগ্যতা অর্জন করে। আমার বিএড প্রশিক্ষণ না থাকায় ১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জনাব আব্দুল হেকিম বি কম, বি এড-কে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে বিদ্যালয়টিকে সরকারি অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়। তখন যাঁরা এ ব্যাপারে সহায়তা করেছেন তারা হলেন: জনাব এ কে এম গৌস উদ্দিন এমপি; নূর রওশন চৌধুরী, ডি পি আই, সিলেট (ফুলবাড়ি); আব্দুর রশীদ চৌধুরী, ডি আই, কুমিল্লা; শিক্ষা সচিব হেদায়েত আহমদ (পূর্বভাগ, ভাদেশ্বর); সচিব ইফতেখার আহমদ চৌধুরী (বারোকুট); ছালিকুর রহমান চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, শাহ জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট (আলীনগর); অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমান এমপি ও নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি প্রমুখ।
১০৮৯ সালের জানুয়ারি মাসে বিদ্যালয়টি সরকারি অনুমোদনলাভ করে এবং ১৯৯২ সালে সিনিয়র স্কেলভুক্ত হয়। এত কম সময়ে কোনো বিদ্যালয়ের এ রকম উন্নয়ন খুব কমই হয়েছে। ১৯৯৪ সালে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা প্রথম এস এস সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং ১টি প্রথম বিভাগসহ প্রায় ৬০% পরীক্ষার্থী পাশ করে।
১৯৯৫ সালে ২টি বিষয়ে স্টার মার্কস এবং প্রচুর ছাত্রছাত্রী প্রথম বিভাগে পাশ করে। সে বছর স্কুলের পাশের হার ছিল ৯৪%।
১৯৯৬ সালে উপজেলাভিত্তিক শ্রেষ্ট বিদ্যালয় ও শ্রেষ্ট শিক্ষক নির্বাচনী পরীক্ষায় রাণাপিং আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়টি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শৃঙ্খলা, প্রশাসনিক নিয়মানুবর্তিতা ও পরীক্ষায় আকর্ষণীয় ফলাফলের জন্য উপজেলার শ্রেষ্ট বিদ্যালয়ের মর্যাদালাভ করে। তখনকার প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান শ্রেষ্ট প্রধান শিক্ষকের মর্যাদালাভ করেন। একই বছর ৯ বম শ্রেণির ছাত্র দেলওয়ার হোসেন জুনিওর বৃত্তি পরীক্ষায় ৪টি উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে বিদ্যালয়টিকে জেলার শ্রেষ্ট বিদ্যালয়গুলোর তালিকায় উন্নীত করতে সমর্থ হয়। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে আছেন মি. অলক কুমার দাসগুপ্ত। শিক্ষকের সংখ্যা ১২ জন এবং প্রায় সকলেই অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৫৫০জন। এছাড়া ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে বিদ্যালয়ের প্রশংসনীয় ভূমিকা রয়েছে।

আব্দুল মুকিত: প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক, রাণাপিং আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়।

02B9EA8C-CBB7-4FE9-854F-474E2BE2CFBB

আব্দুল মুকিত।

তারিখ: ১১ মার্চ ২০০০

বি.দ্র: লেখাটি ‘রাণাপিং আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় স্মারক ২০০৬’ থেকে সঙ্কলিত।

Advertisements
%d bloggers like this: