Advertisements
Skip to content

বর্ণবাদের বিক্ষোভে পুরো দেশ ! অন্যত্র চলছে বিক্ষোভ এর নামে লুটপাট ! 

একদিকে করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে এক লাখের বেশী মানুষের মৃত্যুর ভয়াল স্মৃতি অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপা বর্ণবাদের বিক্ষোভে পুরো দেশ আজ ভিন্ন এক বাস্তবতায়।আবার অন্যত্র চলছে বিক্ষোভ এর নামে লুটপাট !

কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের করুণ মৃত্যুতে ফুঁসে উঠেছে পুরো আমেরিকা। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। টানা তিন দিন থকে নিউইয়র্কে মানুষজন নেমে এসেছে সড়কপথে। থেমে থেমে পুলিশের সাথে সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েছে ক্ষুব্ধ লোকজন। পুলিশের  গাড়ি ভাঙচুর, পুড়িয়ে দেয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।পুলিশের গাড়ি পুড়িয়ে দেয়ায় বিক্ষোভকারী ওই দুই বোনকে আটক করা হয়েছে।

নাগরিক অধিকারের সংগঠকদের সাথে নিউইয়র্কে সব বর্ণের লোকজনের অংশগ্রহণ ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। নগরের, রাজ্যের নেতারা ক্ষোভ দমনের চেষ্টা করছেন। বক্তব্য বিবৃতি দিচ্ছেন। কোনভাবেই এ ক্ষুব্ধ লোকজনের দ্রোহী মিছিল থামছে না।

২৯ মে শনিবার রাতে ব্রুকলিনে হাজারো মানুষের উত্তাল বিক্ষোভে গাড়ি পুড়েছে, পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের রক্তাক্ত হতে হয়েছে। শতাধিক গ্রেফতারের ঘোটনা ঘটেছে। এখনো লকডাউনে থাকা এ নগরীর ক্ষুব্ধ মানুষের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চাপা ক্ষোভের দ্রোহের বিস্ফোরণে।

কয়েকটি এলাকায় চলছে বিক্ষোভ এর নামে লুটপাট

নিউইয়র্ক নগরীর সর্বত্র ক্ষুব্ধ মানুষজন সড়ক পথে নেমে আসে। ব্রুকলিন,ব্রঙ্কস, ম্যানহাটন থেকে কুইন্সের ডাইভারসিটি এলাকায় বড়বড় বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।। প্রতিবাদকারীদের থামাতে ব্রুকলিন ব্রিজের একাংশ রাত আটটার দিকে বন্ধ করে দেয়া হয়। ম্যানহাটনের অপর সংযোগ সেতু উইলিয়ামসবার্গ ব্রিজ ও ম্যানহাটন ব্রিজও আংশিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

শনিবার রাতে এনওয়াইপিডি রক্তাক্ত ছবি প্রচার করেছে। নগরীর মেয়র ডি ব্লাজিও প্রতিবাদকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। রক্তাক্ত ছবি প্রকাশ করে নিউইয়র্ক পুলিশের কমিশনার ডারমন্ট শেয় বলেছেন, যখন ইট ছুঁড়ে মারা হচ্ছে তখন পরিস্থিতি সামাল দেয়া সরয়ই কঠিন হয়ে পড়েছে। শনিবার রাতে প্রতিবাদকারীর হাতে রক্তাক্ত পুলিশের ছবি দেখিয়ে কমিশনার প্রতিবাদকারীদের শান্তিপূর্ন প্রতিবাদ করটা জরুররি বলে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

Advertisements
%d bloggers like this: