Skip to content

চোর-দূর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা জাগ্রত হোন !

unnamed

দর্পণ কবীর ।নিউইয়র্ক ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই বলেন যে, চারপাশে দুর্নীতি হচ্ছে। তিনি হতাশা প্রকাশ করেন এবং কঠোর ব্যবস্থাও নেন কখনও। ক্যাসিনো ব্যবসা ও সম্রাটের গ্রেপ্তার-একটি উদাহরণ মাত্র। ব্যাংকের অর্থ লুটপাট এখন বাংলাদেশে সবচেয়ে ‘দুর্ভাগ্যজনক বিপন্নতা’! জনগণের অর্থ অর্থাৎ বৈদিশিক মুদ্রা আয়ের সিংহভাগ পাচার হয়ে যাচ্ছে। রাখ-ঢাকও নেই। সম্প্রতি দেখেছি-শিকদার গ্রুপের দু’মালিক চাটার্ড বিমানে দেশ ছেড়েছেন দু’জন ব্যাংক কর্মকর্তাকে মারধর করে। কী দুঃসাহস! আইন কোথায়? এই গ্রুপের বিপুল অর্থ যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে পাচার হয়েছে-শোনা যাচ্ছে। সিংগাপুর, মালেয়শিযা, দুবাইয়ে কত যে অর্থ পাচার হয়েছে, এর সঠিক ধারনা করাও সম্ভব নয়। ঢাকার এক এমপি ১৮ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন মালেয়শিয়া, সিংগাপুর ও দুবাইয়ে। মালেয়শিয়ায় তার ব্যক্তিগত ছোট আকারে দ্বীপও আছে। ১৯৯৬ সালের আগ অব্দি তিনি স্যাণ্ডেল পড়ে ঘুরতেন। এটিও একটি উদাহরণ।
কানাডায় দুর্নীতিবাজদের ‘পল্লী’ গড়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রেও পাচার হয়ে আসা অর্থের অহম দেখছি। প্রয়াত মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম পুত্রের অঢেল অর্থ নিউইয়র্কে রিয়েল স্টেট ব্যবসায় বিনিয়োগের খবর প্রকাশ পেয়েছে। যেদিকে তাকাই-রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহারকারী দূর্বৃত্তদের আষ্ফালন! নিউইয়র্কে একসময় ‘স্যালসম্যান’ ছিল, এখন রাতারাতি বিত্তবৈভবের মালিক। বিভিন্ন সংগঠনের আসন দখল করেছেন। অর্থই সব, শিক্ষাগত যোগ্যতাও লাগছে না। আবার ঐ সংগঠনের নেতারা ঐক্যের কথা বলেন, দেশসেবার কথা বলেন, কমিউনিটি গড়ার কথা বলেন। আরে, যাদের নিজেদের কাতারে ঠাঁই দিয়েছেন, তাদের যোগ্যতা আগে দেখেন। চোর-প্রতারক-দূর্বৃত্তদের পাশে নিয়ে আপনারা কীভাবে সমাজ বদলাবেন? অথচ আপনাদের যোগ্যতা, দক্ষতা, শিক্ষা, প্রতিভা আছে। শুধু বিবেচনাবোধ সষ্ক্রিয় করতে হবে! কতদিন বাঁচবেন? ভেবে একটু জেগে উঠুন। অযেোগ্যদের, লুটেরাদের বলুন-তুমি চোর! দেশের অর্থ পাচারকারী! তেমাকে আমাদের সঙ্গে রাখবো না! বলবেন কি?
উল্লেখ্য, ফোবানা সম্মেলন আয়েোজনকারী সংগঠনে অর্থ লুটেরা বড় আসনে অধিষ্ঠিত। নব্য বিত্তবান!
আমার কথা হচ্ছে-আমরা অন্তত ঐ লুটেরা বা তার পরিবারের সদস্যদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে পারি। নইলে, তাদের লজ্জা-শরম হবে না। এটাই হোক-আমাদের প্রতিবাদ!

%d bloggers like this: