Skip to content

এ বছর পশুর কুরবানী না দিয়ে দারিদ্রদের আর্থিক সাহায্যের কথা ভাবছে প্রভাবশালীরা

1-1901190558

 

 

করোনার মহামারীতে প্রতিদিন হাজার মানুষ চাকুরী হারাচ্ছে ।দ্রব্য মুল্যের উর্ধ গতি সবাই কে ভাবিয়ে তুলছে আগামীতে কি কি সমস্যার সন্মুখীন হতে পারে তা কেউ জানে না ।

আসন্ন কোরবানির ঈদের আর কয়েকদিন বাকি থাকলেও মুখে হাসি নেই  হাজার হাজার খামারিদের। চিন্তার ছাপ তাদের আঁকড়ে ধরেছে জেলায় ২১ হাজার খামারি প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার গরু মহিষ, ছাগল লালন পালন করে পুষ্ট করে থাকেন। ধার-দেনা করে সারা বছর গরু লালন পালন করে মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এসব কোরবানির পশু বিক্রি করাই এখন দায় ! এখন আতংকে দিন কাটছে খামারিদের। সাধারন মানুষের হাতেও করোনার এই দুর্সময়ে টাকা নেই আবার অর্থশালীরা এবার কোরবানীতে পশু কুরবানী না দিয়ে কুরবানির অর্থ  নগদ আর্থিক সাহায্যের কথা ভাবছে অনেক এ কেননা কুরবানীর মাংসের চেয়ে মানুষের ঘরে খাদ্য সমস্যা অনেক বড় করে দেখছে ।

গো খাদ্যের দাম বেশি কিন্তু গরুর দাম কম। করোনার কারণে ক্রেতারা আসছে না।পাবনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আল মামুন হোসেন জানান,  খামারিদের হতাশ হওয়ার কোনও কারণ দেখি না। সম্পূর্ণ দেশীয় গরু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটাতে হবে। সুতরাং খামারিরা তাদের তৈরি গরু ছাগল বিক্রি করেই বেশ লাভবান হবেন এমনটাই আশা তার।

%d bloggers like this: