Skip to content

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে পাঠানো চিঠিতে রাইসিন,সন্দেহভাজন এক নারীকে গ্রেফতার

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে পাঠানো চিঠিতে রাইসিন নামক মারাত্মক বিষাক্ত পদার্থের অস্তিত্ব পাওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ওয়াশিংটনে এফবিআইয়ের ফিল্ড অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চিঠি পাঠানোর ঘটনায় এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে। খবর রয়টার্সের

গ্রেফতারকৃত ওই নারীর নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে তিনি কানাডার নাগরিক বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ দিকে কানাডার মাউন্টেড পুলিশ এক বিবৃতি বলেছে, ট্রাম্পের নামে পাঠানো বিষাক্ত চিঠির ঘটনায় তদন্তে সহায়তার জন্য এফবিআইয়ের কাছ থেকে তারা অনুরোধ পেয়েছে। এ বিষয়ে এফবিআইকে সহায়তা করা হচ্ছে।

গত রোববার বিবিসির খবরে বলা হয়,  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে পাঠানো একটি চিঠিতে রাইসিন নামক এক মারাত্মক বিষাক্ত পদার্থের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তবে চিঠিটি হোয়াইট হাউসে পৌঁছানোর আগেই তা জব্দ করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হোয়াইট হাউসের ঠিকানায় পাঠানোর যে কোনো চিঠি সেখানে পৌঁছে দেওয়ার আগেই পরীক্ষা নিরীক্ষার একটি আলাদা কার্যালয় রয়েছে। সেখানেই বিষয়টি ধরা পরে।

তারা জানান, খামের ভেতরে চিঠিতে রাইসিন নামক এক মারাত্মক বিষাক্ত পদার্থ মেশানো ছিল।

ক্যাস্টর অয়েল তৈরি হয় যে বীজ থেকে, সেই একই বীজ থেকেই তৈরি এই রাইসিন বিষ। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা সিডিসি বলছে, রাইসিন এতোটাই বিষাক্ত যে মাত্র কয়েক ফোটা লবণ দানার পরিমাণ একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটাতে পারে। রাইসিন কোনোভাবে খেয়ে ফেললে, নিঃশ্বাসের সঙ্গে অথবা ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে মাথা ঘোরা, বমি শুরু হয়। এরপর শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হতে থাকে। কতটুকু পরিমাণ রাইসিন শরীরে প্রবেশ করেছে তার ওপর নির্ভর করে ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু ঘটে। রাইসিনের বিষক্রিয়া প্রতিরোধে কোনো প্রতিষেধক নেই।

%d bloggers like this: