Category: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ধর্ষণ প্রতিরোধে কাজ করবে এমন একটি অ্যাপস তৈরি করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির (আইআইটি) তিন শিক্ষার্থী।

ধর্ষণ প্রতিরোধে কাজ করবে এমন একটি অ্যাপস তৈরি করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির (আইআইটি) তিন শিক্ষার্থী। ALLY নামের এ অ্যাপস নারীদের ধর্ষণ রোধ ছাড়াও হয়রানি, ছিনতাই প্রতিরোধসহ যে কোনো বিপজ্জনক মূহুর্তে সুরক্ষা দিতে কাজ করবে।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি আয়োজিত সফটওয়্যার প্রদর্শনীতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ‘আইআইটি অ্যাড্রয়েট’ এর এ অ্যাপসটি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

এতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির (আইআইটি) ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শাহীন বাশারের নেতৃত্বে অংশ নেয় মেহেদী হাসান রুম্মান (৪৬ ব্যাচ) এবং শাহরিয়ার ইসলাম হিমেল (৪৭ ব্যাচ)।

জানা যায়, দেশের ২২টি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দল এ প্রদর্শনীতে অংশ নেয়। রোববার রাতে এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন শাহীন বাশার।

তিনি জানান, আমরা প্রতিযোগিতায় যে অ্যাপসটি প্রদর্শন করেছি তার নাম ALLY। অ্যাপসটি নারীদের ধর্ষণ রোধে কাজ করবে। এছাড়াও হ্যারেজম্যান্ট, ছিনতাই প্রতিরোধসহ যে কোনো বিপজ্জনক মুহূর্তে সুরক্ষা দিতে কাজ করবে।

কীভাবে এসব কাজ করবে অ্যাপস? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমাদের অ্যাপসে অনেকগুলো ফিচার থাকবে। তার মধ্যে যদি একজন ব্যবহারকারী কোনো অপরিচিত জায়গা দিয়ে যায় অথবা কোনো বিপদের পড়ার আশংকা করলে অ্যাপটির ‘ড্যানজার মুড’ অন করে রাখতে হবে। পরবর্তীতে কোনো প্রকার ‘শ্যাকিং’ কিংবা হেল্প সাউন্ড শুনলে অ্যাপসটি থেকে অটোমেটিক্যালি তার বিশ্বস্ত নম্বরে কল, ম্যাসেজ ও ইমেইল (কারেন্ট লোকেশনসহ) চলে যাবে।

এছাড়া ব্যবহারকারীর মোবাইল থেকে অটোমেটিক্যালি লোকেশন শেয়ার হবে, যা তার বিশ্বস্ত ব্যক্তি অ্যাপসের মাধ্যমে সরাসরি দেখে ভিক্টিমের অবস্থান জানতে পারবে। এছাড়া অ্যাপসে গোপনে রেকর্ড করা, ছবি তোলার অপশন রয়েছে বলেও জানান শাহীন বাশার।

জাবির এ শিক্ষার্থী আরও জানান, এ অ্যাপসের মাধ্যমে কাছের পুলিশ অথবা র‍্যাবের সঙ্গে কানেক্ট হতে পারবে। এছাড়া পুলিশ ও র‍্যাবের মোবাইল নম্বর ও লোকেশন জানতে পারবে। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ এ কল দেয়া ও অ্যাম্বুলেন্স এবং ব্লাড ডোনার খুঁজতে পারবে। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে অ্যাপসটি গুগলের প্লে-স্টোরে পাওয়া যাবে।

এর আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবহন সেবা সহজ করতে ‘JU Transport’ নামের একটি অ্যাপস তৈরি করেন শাহীন বাশার।

নিউজ/আকিব

তথ্যপ্রযুক্তি সভ্যতার উন্নয়ন ? নাকি ধংস !

সভ্যতার উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির অবদান অ’পূরণীয়। প্রযুক্তির ডানায় ভর করে পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন নতুন আবিষ্কার সহ’জ করে দিচ্ছে জীবনযাত্রাকে। প্রযুক্তির উৎকর্ষের দরুন মোবাইল ফোন আজ যোগাযোগের দ্রুততম মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। গোটা বিশ্বকে এনে দিয়েছে হাতের মুঠোয়। কিন্তু প্রযুক্তির উপকারী একটি মাধ্যম যখন ক্ষতির কারণ হয়, তখন সেটা ভয়াবহ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। হাতের মুঠোয় থাকা ফোনটি আজ এমনই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোবাইলের ‘ভয়ংকর’ ব্যবহারে আমাদের দেশের স্কুলপড়ু য়ারা ‘সর্বনাশের’ চরম সীমায় চলে যাচ্ছে।

প্রযুক্তির এ মাধ্যমটি ব্যবহার করে তারা বিনোদনের রঙিন আ’গুনে ঝাঁপ দিচ্ছে। কিছু না বুঝে ওঠার আগেই এ আ’গুনে পুড়িয়ে ফেলছে মূল্যবান সময় ও মেধা। নিজেকে ঠেলে দিচ্ছে এক অশুভ স্রোতের মাঝে। বাংলাদেশে অনলাইন অ’প’রাধ প্রবনতা ব্যাপক বেড়ে গেছে। বেশীরভাগ অ’প’রাধই করছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।

বেসরকারি এক জরিপ অনুযায়ী, মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তির পেছনে যে কারণগুলো উঠে আসছে এর মধ্যে অন্যতম হল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার, ইউটিউবসহ বিভিন্ন রগরগে ওয়েবসাইটে সহ’জে প্রবেশ ও গেমস। এ আসক্তি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে তা কি আম’রা কখনও গভীরভাবে ভেবে দেখেছি? কেন কোমলমতি শি’শু-কিশোররা মা’দকের মত মোবাইল আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে? এজন্য কি শুধু তারাই দায়ী? নাকি এর পছনে অন্য কারণও আছে?

অনুসন্ধান দেখা গেছে, বেশীরভাগ স্কুল-কলেজের মেয়েরাই অনলাইন সুরক্ষা স’ম্পর্কে জানেনা। মেয়েরা বিভিন্ন বয়সের পুরুষের মাধ্যমে প্রতারণা স্বীকার হচ্ছে সবচেয়ে বেশী। স’ম্পর্কের নামে ভিডিও কলের মাধ্যমে এ সকল মেয়েরা নানা অ’প’রাধের সাথে যুক্ত হচ্ছে, তার মাশুল দিতে হচ্ছে অ’ভিভাবকদের।

ঢাকা মেডিক্যাল লা’শ কা’টাঘর প্রতিদিনই আসছে বিভিন্ন কিশোরীর আত্নহ’ত্যার দেহ। এদের অনেকের বয়স ১৩ থেকে ১৭। যারা অনলাইনে ভিডিও কলসহ ম্যাসেঞ্জার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে গিয়ে নানা অ’প’রাধ করতে গিয়ে নিজেরাই প্রতারণার স্বীকার হয়ে আত্নহ’ত্যার পথ বেছে নিয়েছে।

আমি মনে করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের আগে ভুলেও স্মা’র্টফোন তুলে দেওয়া ঠিক নয়। এতে অ’ভিভাবকরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিজেই নষ্ট করছে। অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে আমি আরও খুঁজে পেয়েছি অনেক কিশোরী স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে নিজের ব্যাক্তিগত গো’পন ছবি তুলে দিচ্ছে অন্যের কাছে। যেগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরালের নামে অশান্তি তৈরি হচ্ছে দেশে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের মেস, হোস্টেলে অনেক কিশোরী স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে প্রবাসীদের সাথে প্রতারণা করছে।

যেটা আমাদের এখনই পদক্ষেপ না নিলে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হতে পারে। আমা’র অনুসন্ধান বলছে, বাংলাদেশ থেকে ১৩ থেকে ১৭ বছরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে নানা অ’প’রাধের সাথে যুক্ত হচ্ছে। এদের অনেকেই গড়ে তুলছে পাড়া মহল্লায় বিভিন্ন গ্রুপ। যেটা সমাজের চিত্র ভয়ানক করে তুলছে।

অনুসন্ধান করতে গিয়ে আমা’র চোখে পড়েছে এমন ভয়ানক চিত্র তা তুলে ধ’রা খুবই জরুরী। বেশীরভাগ কিশোর এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন ম্যাসেজ গ্রুপ খুলে সেখানে ছিনতাই, ধ’র্ষণ ও নি’র্যাতন, চু’রিসহ হ’ত্যা পরিকল্পনা করে চলেছে। অ’ভিভাবকদের অসচেতনতাই এগুলো বাড়াচ্ছে বলে আমি মনে করি৷ এই ব্যাপারে আমি অনেক অ’ভিভাবকের সাথে কথা বলে বুঝলাম, সন্তান ঘরে ফিরেছে কিনা, কি করছে এমন তথ্যগুলো জানার জন্যই তারা স্মা’র্টফোন কিনে দিচ্ছে। অনেক শি’শু, কিশোর-কিশোরী শিক্ষার্থীরা পথ হারাচ্ছে স্মা’র্টফোন ব্যবহার করে। আরও ভয়ংকর তথ্য হচ্ছে স্মা’র্টফোন ব্যবহার দিনে দিনে মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট করে দিচ্ছে৷ সময় থাকতে স্মা’র্টফোন ব্যবহার বন্ধ করুন ও সন্তান, ছোট ভাইবোনকে দিন বাটন ফোন। যেগুলো ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। সারাদিন নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে ফোন একদমই নয়৷

লেখক : আরিফ রহমান শিবলী, নির্বাহী পরিচালক, কিডস মিডিয়া ও সদস্য, আমেনেস্ট্রি ইন্টারন্যাশনাল।

মহাবিশ্বের জন্ম রহস্য উন্মোচনে মহাবিশ্বের গভীরতম এবং অন্ধকারতম স্থানের কোণে কোণে অনুসন্ধান করতে শক্তিশালী টেলিস্কোপ বসিয়েছে চীন।

মহাবিশ্বের জন্ম রহস্যের সন্ধানে চীন!
বিশ্বের সর্ববৃহৎ রেডিও টেলিস্কোপ ‘ফাস্ট’ [ছবি: সংগৃহীত]

মহাবিশ্বের জন্ম রহস্য উন্মোচনে মহাবিশ্বের গভীরতম এবং অন্ধকারতম স্থানের কোণে কোণে অনুসন্ধান করতে শক্তিশালী টেলিস্কোপ বসিয়েছে চীন। এই টেলিস্কোপের সাহায্যে তারা মহাবিশ্বের কোথাও জীবনের অস্তিত্ব রয়েছে কী না তা জানার চেষ্টা করছে। চীন দাবি করেছে -এটা বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং শক্তিশালী রেডিও টেলিস্কোপ। ১২ জানুয়ারি থেকে টেলিস্কোপটির কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হয়েছে।

চীনের দক্ষিণাঞ্চলের একটি পাহাড়ের ওপর বসানো হয়েছে টেলিস্কোপটি। বিশাল ধাতব শরীর নিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে রয়েছে টেলিস্কোপটি। টেলিস্কোপটির আনুষ্ঠানিক নাম হচ্ছে ফাইভ-হান্ড্রেড-মিটার অ্যাপারচার স্ফেরিক্যাল টেলিস্কোপ-যা তার সংক্ষিপ্ত নাম ‘ফাস্ট’। চীন এই টেলিস্কোপকে ডাকছে ‘স্কাই আই’ বা ‘আকাশ চোখ’ নামে। টেলিস্কোপটির নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে দূরবীনটির ব্যাস আধা কিলোমিটার। এর আগে বড়ো দূরবীনটি ছিল পুয়ের্তো রিকোর আরিসিবো পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের, যার ব্যাস ছিল ৩০৫ মিটার।

২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ফাস্ট দূরবীনের নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার আগে আরিসিবো রেডিও টেলিস্কোপটি ছিল ক্যাটেগরির দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম দূরবীন। ফাস্ট শুধুমাত্র সবচেয়ে বড়ো যন্ত্রই নয়, বর্তমানে চালু থাকা যেকোনো রেডিও টেলিস্কোপের চেয়ে ২.৫ গুণ বেশি স্পর্শকাতর। ১৯৯০ এর দশকে প্রথম এই দূরবীনটি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল; যা তৈরি করতে প্রায় দুই দশক সময় লেগে গেলো। ২০১৬ সালে প্রথমবার এটির কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়।

ফাস্ট টেলিস্কোপের নির্মাতারা আশা করছেন, এই রেডিও টেলিস্কোপটি যেসব সিগনাল ধরতে পারবে, তা থেকে মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং বিবর্তনের তথ্য উদঘাটন করা যাবে। এর প্রধান কাজ হলো মহাকর্ষীয় তরঙ্গ অনুসন্ধান করা। সেই সঙ্গে এটা মহাজগতের অন্ধকার উপাদানগুলোর সমীক্ষা করবে এবং মহাবিশ্বের অন্য কোথাও সভ্যতা আছে কিনা, সেটার অনুসন্ধান করবে। দূরবীনের যে বৈশিষ্ট্যটি বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বেশি উদ্দীপ্ত করছে, তা হলো মহাবিশ্বের তরঙ্গ বিস্ফোরণের (এফআরবি’স) তথ্য দ্রুত শনাক্ত করার ক্ষমতা রয়েছে দূরবীনটির। এ ধরনের তীব্র শক্তির বিস্ফোরণ কেবলমাত্র মিলি সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।

মহাবিশ্বের অনেক রহস্যের সমাধান করতে ফাস্ট টেলিস্কোপ সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। কানাডার ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞানী ভিক্টোরিয়া কাসপি বলেন, এফআরবি’স শনাক্ত এবং গবেষণা করার ক্ষেত্রে এই টেলিস্কোপটি একটি চমত্কার যন্ত্র হিসাবে কাজ করবে।

ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটসের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক অধ্যাপক মিন ইয়ুন বলেন, মহাজাগতিক সংকেত অনুসন্ধান করার ক্ষেত্রে ফাস্ট আমাদের ক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দেবে। ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার জ্যোতির্বিজ্ঞানী বিল ম্যাককাটচেয়ন বলেন, এই অর্জন হচ্ছে নজর কাড়ার মতো। নতুন করে শনাক্ত করার এই পদ্ধতি নিঃসন্দেহে আকর্ষণীয় ব্যাপার হবে।-বিবিসি

ফেসবুক তৈরি করা ছিল মারাত্মক ভুল: জাকারবার্গ

ফেসবুক, মার্ক জাকারবার্গ

বিশ্বের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ জানিয়েছেন, এটি তৈরি করা ছিল তার মারাত্মক ভুল। খবর ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম জি নিউজের।জাকারবার্গ জানান, সমাজকে অনেক ক্ষতির মুখোমুখি করছে এই ফেসবুক। এটি তৈরি করা হয় সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে। এজন্য এটিতে অনেক ধরনের টুলস যোগ করা হয়। তবে তার মতে এটি তৈরি করা ভয়ংকর ভুল ছিল।ফেসবুকের সাবেক জ্যেষ্ঠ নির্বাহী চামাথ পালিহাপিতিয়া জানান, কিভাবে মানুষের মন অন্যদিকে ঘোরানো যায় তা নিয়ে ভাবছেন তারা। তবে শিশুদের মাথায় কখন কী চলে তা শুধু ঈশ্বরই জানেন। তিনি নিজের সন্তানকে ফেসবুক ব্যবহার করতে দেন না বলেও উল্লেখ করেন।

এলিয়েন বলছে পৃথিবীতে মানুষ নেই !

এক বার নাসার মহাকাশ বিজ্ঞানীদের সাথে এলিয়েন দের দেখা হয়ে গেল মুখোমুখি –
নাসার মহাকাশচারী বিজ্ঞানীরা জানতে চাইলো এলিয়েন্দের কাছে , তোমরা পৃথিবীতে কেন এসেছো ?
এলিয়েনদের একজন বললো , মানুষ এর খোজে !
পেয়েছো ? জানতে চাইলো একজন মহাকাশচারী বিজ্ঞানী ।
এলিয়ান্দের কেউ কোন জবাব দিল না !একজন মহাকাশচারী বিজ্ঞানী আবার জিজ্ঞেস করলো পেয়েছো ? একজন এলিয়েন বললো না ! মহাকাশচারী বিজ্ঞানীরা খুব অবাক হয়ে বললো একজন মানুষ খুজে পাওনি ? এলিয়েন বললো না !
মহাকাশচারী বিজ্ঞানী রা একে অপরের দিকে তাকিয়ে আবার প্রশ্ন করলো এলিয়েন দের তারা আবার একই জবাব দিল সারা পৃথিবী জুড়ে একজন মানুষ খুজে পাইনি ! এই কথা বলে এলিয়েন রা তাদের শিপ এ ফিরে শুন্যে হারিয়ে গেল ! মহাকাশচারী বিজ্ঞানীরা একে অপরের দিকে তাকিয়ে আছে নির্বাক হয়ে ! তার কিছুদিন পর পৃথিবীতে মহাকাশচারী বিজ্ঞানীরা তাদের নাসার গবেষণার নোট বুকে লিখলো ঃ
মহাকাশে এলিয়েন না খুজে পৃথিবীতে মানুষ খোজা দরকার !আমাদের পৃথিবী আজে মানুষ শুন্য !এই নোট বুক দেখে নাসার গবেষণার সকল সদস্য খুব চিন্তায় পড়ে গেল ! এর পর নাসা একটা বিরতি নিয়ে পৃথিবীতে মানুষ নিয়ে গবেষনা করতে লাগলো ! মানুষ নিয়ে তারা যতই গবেষনা করে ততই অবাক হতে লাগলো ! পৃথিবীর কোন মানুষ এর সাথে কোন মানুষ এর মিল নেই এক একটা মানুষ এক একরকম কার চিন্তা ভাবনার সাথে কার চিন্তা ভাবনার মিল নেই ! কার চেহারার সাথে কার চেহারার মিল নেই কার মতের সাথে কার মিল নেই !ধর্মের মিল নেই কর্মের মিল নেই রুচির মিল নেই চিন্তা ভাবনা কিছুর সাথেই কিছুর মিল নেই সবাই সবার মত করে আলাদা !
নাসার মহাকাশ্চারীরা বিজ্ঞানীদের আর বেশী মাথা নষ্ট হয়ে গেল তারা হাজার বছর ধরে পৃথিবীতে আসা সকল মানুষ এর ডিএনএ নিয়ে গবেষোনা করেও কোন সমাধান এ আজও আসতে পারলো না !
আসলে কি পৃথিবিতে মানুষ নেই !