Category: বিশ্বসংবাদ

নিউইয়র্ক গোলাপগঞ্জ সোসাইটির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক সম্পন্ন।

জাহেদ জারিফ
নতুন নেতৃত্বকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরণ করে নেয়ার প্রস্তুতি চলছিল পুরো মাসজোড়ে।অভিষেক অনুষ্ঠানকে চমকপ্রদ ও আকর্ষণীয় করে সাজাতে একের পর এক আলোচনা-পর্যালোচনা লেগেই ছিলো।সোসাইটির সবার সহযোগীতায় ও অক্লান্ত পরিশ্রমে ফলে আগত অতিথি সহ প্রবাসী গোলাপগঞ্জবাসী একটি ব্যতিক্রম,দৃষ্টিনন্দন অভিষেক অনুষ্টান উপভোগ করলেন।নেতৃত্বের পালাবদলে সোসাইটির নতুন নেতৃত্বকে বরণ ও সদ্য সাবেক নেতৃবৃন্দকে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত করা হয় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি উডসাইডস্থ কুইন্স প্যালেস মিলনায়তনে।অভিষেক অনুষ্ঠানকে ঘিরে পুরো কমিউনিটির মধ্য উৎসাহ উদ্দীপনা আর প্রাণ চাঞ্চল্য দেখা দেয়।নির্ধারিত সময়ের আগে থেকে দূরের পথ পাড়ি দিয়ে সবাই অনুষ্ঠানস্থলে আসতে শুরু করলে অনুষ্ঠান শুরুর পূর্বেই হল রুম কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।স্কুল বন্ধ থাকায় স্কুলগামী ছাত্রছাত্রী ও মায়েদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। অভিষেক অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মুহিবুর রহমান।পরে সমবেত কন্ঠে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়।এবাদ চৌধুরী ও ওয়াহিদ পারভেজের যৌথ পরিচালনায় অতিথিবৃন্দ আসন গ্রহণ শেষে শুরু হয় নবনির্বাচিত কমিটির শপথ গ্রহণপর্ব।প্রধান নির্বাচন কমিশনার বীরমুক্তিযোদ্ধা ওহিদুর রহমান মুক্তা শপথপর্ব পরিচালনা করেন।শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নবনির্বাচত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোমিত চৌধুরী ওমেল,সদ্য সাবেক কমিটির পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রদান করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আতিকুল ইসলাম।অভিষিক্ত কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত অতিথি সহ সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়েজ আহমদ চৌধুরী,সদস্য তুহিন আহমদ চৌধুরী।প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজমল হোসেন কুনু গোলাপগঞ্জের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি আলোকপাত করে সোসাইটির উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করেন।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে নিযুক্ত সচিব সামীম আহমদ অনুষ্ঠানকে ঘিরে তাঁর মুগ্ধতার কথা বলেন এবং নতুন নেতৃত্বের সফলতা কামনা করেন,খ্যাতিমান সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন বলেন আমার পরিচয়ের প্রশ্নে আমি সবসময়ই গোলাপগঞ্জ বলতে কোনো হীনমন্ম্যতায় ভোগিনা,গোলাপগঞ্জ পরিচয় দিতে পারা আমার জন্য গর্বের।সোসাইটির যেকোন প্রয়োজনে নেতৃবৃন্দকে সাহায্য সহযোগীতা আপসহীনভাবে করে যাবেন বলে উল্লেখ করেন।আরোও বক্তব্য প্রদান করেন কমিউনিটির পরিচিত মুখ কামাল আহমদ,এমাদ আহমদ চৌধুরী,আব্দুল হাসিব মামুন,ওহিদুর রহমান মুক্তা,আব্দুর রহিম বাদশা,ময়নুল হক চৌধুরী,তাজুল ইসলাম চৌ.,সুলেমান আহমদ চৌধুরী,আজিজুর রহমান বুরহান,ফয়জুর রহমান ফটিক,মহি উদ্দীন দেওয়ান,মুহিবুর রহমান চৌধুরী ।অভিষিক্ত কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সাংগঠনিক ও ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হেলিম আহমদ অতিথিবৃন্দ সহ উপস্থিত সবাইকে সোসাইটির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান,বিশেষ করে স্কুলগামী ছাত্রছাত্রী ও তাদের মায়েদের অংশগ্রহণ কে তিনি সাধুবাদ জানান।তাদের স্বতস্ফূর্ত সমর্থন সোসাইটিকে আগামীতে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে উল্লেখ করেন ।নৈশভোজ শেষে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দর্শক-শ্রোতাকে মাতিয়ে রাখেন নিউইয়র্কের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী।অনুষ্ঠানে বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে ছিলো কমিউনিটি হেল্পডেস্ক;যেখানে নবাগত প্রবাসীদের সুবিধার্থে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যসম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়।লিফলেটে আমেরিকায় সরকারী বেসরকারী চাকরী,ব্যবসা সহ আবাসন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিলো।অভিষিক্ত কমিটির সভাপতি হেলিম আহমদের সাথে একান্ত আলোচনায় প্রতিবেদকের সাথে তিনি তাঁর অনুভুতি ও কর্ম পরিকল্পনার কথা বলতে গিয়ে উল্লেখ করেন বহিঃবিশ্বে সিলেটের সর্ববৃহৎ সংগঠন জালালাবাদ এসোসিয়েশন সহ প্রবাসে অসংখ্য সংগঠনে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নিউইয়র্ক গোলাপগঞ্জ সোসাইটিকে প্রবাসী গোলাপগঞ্জবাসীর আস্থা ও ভরসাস্থল হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।সোসাইটির সাবেক ও বর্তমান সদস্যবৃন্দ সহ সকল গোলাপগন্জবাসীকে সাথে নিয়ে কমিউনিটির জন্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সোসাইটির ভিত আরো মজবুত করবো।তিনি সোসাইটির সাথে সম্পৃক্ত প্রয়াত সকল নেতৃবৃন্দের মাগফেরাত কামনা করেন।

দিল্লি সংঘর্ষে 'মোদির গুজরাট মডেল'

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে টানা চার দিন ধরে চলছে সংঘর্ষ। একের পর এক চলছে অগ্নিসংযোগ, গুলি, বাড়িতে ঢুকে হামলা মতো হিংসাত্মক ঘটনা। অথচ পুলিশ তা নিয়ন্ত্রণে কার্যত ব্যর্থ। এ কারণে বিরোধী দলগুলোসহ অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, তবে কি পুলিশের এই ‘ব্যর্থতা’ পরিকল্পিত? ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গার সময়ও একই অভিযোগ উঠেছিল পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে। 

জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) নেতা নবাব মালিক গুজরাট দাঙ্গার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে দিল্লিতে চলা সংঘর্ষে পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। রাজধানীতে কেন এটা হবে? ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গার মডেল চলছে দিল্লিতেও।’ 

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন উঠছে, অমিত শাহ এমন নির্দেশ দেননি তো যে, কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি ব্যবস্থা না নেন ও পুলিশ বিক্ষুব্ধদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পারে, তা হলে নিশ্চয়ই কিছু গণ্ডগোল আছে। খবর আনন্দবাজারের।

এদিকে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীও দিল্লি সংঘর্ষের পিছনে ষড়যন্ত্র দেখছেন। স্পষ্ট না করে কিছু না বললেও সংঘর্ষ এত বড় আকার নেওয়ার জন্য তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সরকারি দল বিজেপিকে দুষছেন। তার প্রশ্ন, পুলিশ-প্রশাসন কেন আগে থেকে সক্রিয় হয়নি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কী করছিলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে দেখেও কেন আগে থেকে আধা সামরিক বাহিনীকে ডাকা হলো না?

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরোধিতায় বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তিন দিনের সংঘর্ষে দিল্লিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার থেকে চলা এই বিক্ষোভে অন্তত দুইশ’ মানুষ আহত হয়েছেন।

বুধবার সকালে গুরু তেগ বাহাদুর (জিটিবি) হাসপাতালে চারটি মরদেহ আনা হয় বলে দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার  উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে সহিংসতায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকের কেউ কেউ বলছেন, পুলিশ আগে থেকে আরো সক্রিয় হলে দিল্লির সংঘর্ষের পরিস্থিতি এতটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেত না। তারাও গুজরাট দাঙ্গায় মতো দিল্লির পুলিশ-প্রশাসনের দিকে সন্দেহের তীর ছুড়েছেন। কেন সেনাবাহিনী নামানো হলো না- সেটা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন। ওই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অমিত শাহ। ২০০২ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সময় গুজরাটে মোদির মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন অমিত শাহ। বিষয়টা কাকতালীয় হতে পারে। তবে এ কারণে অনেকের মনে ২০০২ সালের গুজরাটের সেই প্রেক্ষাপট ভেসে উঠছে।

২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গুজরাটের গোধরায় সবরমতি এক্সপ্রেসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ওই ট্রেনে অযোধ্যা থেকে ফিরছিলেন কর-সেবকরা। এ ঘটনায় জ্বলন্ত দগ্ধ হয়ে মারা যান ৫৮ জন কর-সেবক। এরপর গোটা গুজরাত জুড়ে শুরু হয় হিন্দু-মুসলিম সংঘর্ষ। প্রায় তিন মাস ধরে চলে হামলা, অগ্নিসংযোগ, হত্যা। 

ওই সরকারি হিসাবেই মৃত্যু হয়েছিল ১ হাজার ৪৪ জনের। নিখোঁজ ছিল ২২৩ জন। আহত প্রায় আড়াই হাজার। নিহতদের মধ্যে ৭৯০ জন মুসলিম ও ২৫৪ জন ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের।

পরবর্তীতে অভিযোগ উঠেছিল, সেই সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেননি, উল্টো প্রচ্ছন্ন মদদ দিয়েছিলেন দাঙ্গায়। পুলিশ-প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দাঙ্গা থামাতে প্রয়োজনীয় নির্দেশও দেননি। এমন অভিযোগও ওঠে, সরকারি কর্মকর্তারাই মুসলিমদের বাড়িঘর, সম্পত্তির তালিকা তুলে দিয়েছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের হাতে। 

ওই অভিযোগের তদন্তে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট) গঠন করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ২০১২ সালে সিটের রিপোর্টে ক্লিনচিট দেওয়া হয় মোদীকে। পুলিশ-প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগও খারিজ করে দেয় সিট। 

কয়েক দিন ধরে চলা দিল্লির সংঘর্ষে ফের ফিরে এসেছে সেই প্রশ্ন। এনসিপির নবাব মালিক যেটাকে সরাসরি ‘গুজরাত দাঙ্গা’র উল্লেখ করে বলেছেন, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই সেই প্রশ্ন তুলছেন আকারে ইঙ্গিতে। 

গুজরাত দাঙ্গার সময়কার সেই প্রশাসনকে নিষ্ক্রিয় করে রাখার অভিযোগ মানেন না অভিযুক্তরা। দিল্লির ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয়নি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর সোনিয়া গান্ধীর অভিযোগের জবাবে বলেন, ‘এই সময় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সব রাজনৈতিক দলের এক সঙ্গে কাজ করা উচিত। রাজনীতি করা উচিত নয়। 

অমিত শাহ দিল্লির সংঘর্ষ ঠেকাতে ‘সক্রিয়’ ভূমিকা পালন করছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, মঙ্গলবারও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্বদল বৈঠক করেছেন। পুলিশ প্রশাসনের মনোবল বাড়াতে ‘ভোকাল টনিক’ দিয়েছেন।

এদিকে ১৯৮৪ সালের শিখ দাঙ্গার প্রসঙ্গ টেনে দিল্লি হাইকোর্ট বুধবার বলেছেন, ‘আর একটা ১৯৮৪-র দাঙ্গা হতে দিতে পারি না আমরা।’

চীনের বাইরেও খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ।

ইউরোপের দেশ ইতালিতে এই ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা চার শতাধিক ছাড়িয়েছে; মাত্র ২৪ ঘণ্টায় দ্রুত বেড়ে হওয়া এই সংখ্যা ভাবাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকেও (ডব্লিউএইচও)।

বিবিসি বলছে, ইউরোপে করোনার সংক্রমণের ২৫ শতাংশই ইতালিতে। এশিয়ার দেশ চীনের বাইরে এই মহাদেশের আরও কয়েকটি দেশেও ছড়িয়েছে করোনা; যা বাড়ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার রাত পর্যন্ত করোনার সংক্রমিত হয়েছেন ৮০ জন। এই ভাইরাসে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, সিনেমাহল, শপিংমল ও বিভিন্ন জনসমাগমের স্থানগুলো বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে করোনাভাইরারেস প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর তা ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় ৪০টি দেশে। বিশ্বে করোনায় আক্রন্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়িয়েছে; মৃত্যু হয়েছে ২৭শ’র বেশি মানুষের।

সেতু থেকে বিয়ের বাস নদীতে

ভারতের রাজস্থানে সেতু থেকে বিয়েবাড়ির বাস নদীতে পড়ে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে রাজস্থানের বুন্দি জেলায় কোটা-দৌসা হাইওয়েতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, বিয়েবাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করা ওই বাসে ২৮ জন যাত্রী ছিলেন। বাসটি কোটা থেকে ভোরে রওনা হয়ে সাওয়াই মাধোপুরের দিকে যাচ্ছিল। এসময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে বাসটি একটি সেতু থেকে নদীতে পড়ে যায়। খবর এনডিটিভির

লেখারি থানার উপ-পরিদশরক রাজেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, বাসটি সেতু থেকে নদীতে পড়ে যায়। ওই সেতুতে কোনো রেলিং ছিল না। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১৩ জনের। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়।

মৃতদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, ১০ জন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে।

আহতদের লেখারি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখান থেকে গুরুতর আহত কয়েকজনকে কোটায় সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দেখলেই গুলি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের মধ্যেই রক্ত ঝরল দিল্লিতে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরোধিতায় বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দিল্লিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। 

সোমবারের পর মঙ্গলবারও দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মৌজপুরে এদিন এক সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত চার সাংবাদিক। অনেক সাংবাদিকের কাছে ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে তাদের হেনস্থা করেছেন বিজেপির নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার রাতে জাফরাবাদ, মৌজপুর, চাঁদবাগ, কারওয়াল নগরে ১৪৪ ধারা জারি করে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা মোতায়েনের দাবি উঠেছিল। তবে প্রশাসন জানিয়েছে, যথেষ্ট সিআরপি নামানো হয়েছে। এখনই সেনা ডাকার দরকার নেই। খবর আনন্দবাজারের

পরিস্থিতি সামলাতে গোটা উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে আগামী এক মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে পুলিশ। দিল্লি-সংলগ্ন উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদেও ১৪৪ ধারা জারি হয়। নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয় গাজিয়াবাদ-দিল্লির সীমানায় যাতায়াতের উপর। টানা বন্ধ দু’দিন উত্তর-পূর্ব দিল্লির পাঁচটি মেট্রো স্টেশন। সংঘর্ষের ছবি না-দেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয় বেসরকারি চ্যানেলগুলোকে।

কিন্তু অশান্তি থেমে থাকেনি। সংঘর্ষ পাথর-যুদ্ধ, গুলি, ভিড় জমিয়ে মারধর, অসংখ্য বাড়ি-দোকানে আগুন লাগানো, লুঠতরাজ— কিছুই বাকি থাকেনি। উত্তর-পূর্ব দিল্লির আকাশে সারা দিনই কালো ধোঁয়া পাকিয়ে পাকিয়ে উঠেছে। আগুন নেভাতে গিয়ে দমকল কর্মীরাই আক্রান্ত হয়েছেন।

দিল্লির প্রবীণরা বলছেন, ১৯৮৪-র শিখ-বিরোধী দাঙ্গার পরে শহরে গোষ্ঠী সংঘর্ষে এত প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। বছর পাঁচেক আগেও পূর্ব দিল্লির ত্রিলোকপুরীতে গোষ্ঠী সংঘর্ষ হয়েছিল। কিন্তু কোনও প্রাণহানি ঘটেনি।

সিএএ-বিরোধীদের সম্পর্কে রোববার উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র। প্রশ্ন উঠেছে, তিন দিন কাটতে চললেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হল না কেন? পূর্ব দিল্লির বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীরই কপিলের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরোধিতায় বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দিল্লিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরোধিতায় বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দিল্লিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার থেকে চলা এই বিক্ষোভে দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

সোমবার পাথর ছোড়া, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ এবং দোকানে দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় দিল্লি। মঙ্গলবারও উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে প্রায় একই অবস্থা বিরাজ করে। মৌজপুরসহ উত্তর-পূর্ব দিল্লির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। খবর এনডিটিভির

মৌজপুরে মঙ্গলবার সকালে একটি রিকশায় চলা যাত্রীদের পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং তাদের জিনিসপত্র লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেছে, উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আমরা উত্তর-পূর্ব দিল্লি থেকে ক্রমাগত সহিংসতার খবর পাচ্ছি।

সোমবার রাতে গোকুলপুরী এলাকায় একটি টায়ারের বাজারে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্যে দিল্লির মন্ত্রী গোপাল রাই, ইমরান হুসেন এবং আম আদমি পার্টির অন্যান্য বিধায়করা গভীর রাতে লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজালের বাসভবনে যান। 

সোমবারই ভারত সফরে এসেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার সফরকালেই দিল্লিতে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

সরকারি সূত্রগুলি জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ভারত সফর করছেন এমন সময় দেশের রাজধানীতে এই ধরনের সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে। অনেকেই বলছে, এই ধরনের ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সহিংসতার ঘটনায় আগাম সতর্কতা স্বরূপ দিল্লি সরকার উত্তর-পূর্ব দিল্লি জেলায় সমস্ত বেসরকারি এবং সরকারি স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। দিল্লি মেট্রো জাফরাবাদ, মৌজপুর-বাবরপুর, গোকুলপুরী, জোহরি এনক্লেভ এবং শিববিহার স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা, যার ফলে সেখানে কোনো বড় সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল বিধায়ক এবং কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠকে বসছেন। তিনি টুইট করেছেন, ‘দিল্লির কয়েকটি অঞ্চলের বর্তমান থমথমে পরিস্থিতি নিয়ে আমি খুব উদ্বিগ্ন। শহরে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের সবারই একসঙ্গে চেষ্টা করা উচিত। আমি আরও একবার সবার প্রতি আবেদন করছি, দয়া করে হিংসা ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন।’

ট্রাম্পের সফরের মাঝেই রণক্ষেত্র দিল্লি

ট্রাম্পের সফরের মাঝেই রণক্ষেত্র দিল্লি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের মাঝেই ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) পক্ষ ও বিপক্ষ- দু’দলের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে দিল্লি। এতে দিল্লি পুলিশের প্রধান কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। এছাড়া ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাও আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়। সোমবার রাতে ভারতের রাজধানী দিল্লি পৌঁছনোর কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তার কয়েক ঘণ্টা আগে উত্তর পূর্ব দিল্লি কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হল। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের পক্ষের এবং বিপক্ষের আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন এক পুলিশ কর্মী। পাথরে পাথরে ছয়লাপ রাস্তাঘাট।সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল রবিবারেই। ভজনপুরা এবং মৌজপুর অঞ্চলে বেশ কিছু দিন ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সিএএ বিরোধী আন্দোলনকারীরা। রবিবার তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন সিএএ-পন্থীরা। দু’পক্ষই একে অপরকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে থাকে। তারই মধ্যে আগুনে ঘি ঢালেন দিল্লির বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র। দাবি করেন, ট্রাম্পের সফরের জন্য তাঁরা কিছু করছেন না। তিন দিনের মধ্যে পুলিশ সিএএ বিরোধী আন্দোলনকারীদের তুলে না দিলে তাঁরাই ব্যবস্থা নেবেন।কপিল মিশ্রের এই বিবৃতি শোনার পরে আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। দফায় দফায় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলতে থাকে। সোমবার সকালেও পরিস্থিতির বদল হয় না। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের তরফ থেকে গুলিও চলে। তবে সেই গুলি কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে পুলিশ এখনও পর্যন্ত কিছু জানায়নি। দু’পক্ষের সংঘর্ষ আটকাতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। তারই মধ্যে এক পুলিশ কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বিকেলে সেই পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়। বন্দুকবাজের পরিচয় এখনও জানায়নি পুলিশ।এ দিনের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর বক্তব্য, দিল্লির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেন্দ্রের হাতে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দ্রুত হস্তক্ষেপ করা উচিত এবং ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যদিও বিজেপির তরফে এখনও পর্যন্ত এ দিনের ঘটনা নিয়ে কোনও বিবৃতি জারি করা হয়নি।এ দিন রাতেই দিল্লি ঢুকবেন ডনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার সকালে তাঁর রাজঘাটে গিয়ে গাঁধীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর কথা। দুপুরে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একান্ত বৈঠকও হওয়ার কথা। তার মধ্যে এ দিনের ঘটনা বড় সড় প্রশ্ন তুলে দিলো।

শিশুদের প্রতি সহিংস শাসন বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে

ছবি: প্রতীকী

রাজধানীর আগারগাঁও পরিসংখ্যান ভবনে ‘মাল্টিপল ইনডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে-২০১৯’ এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফ যৌথভাবে এ জরিপ পরিচালনা করে। ৬৪টি জেলার ৬১ হাজার ২৪১টি পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। আর এসব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি সমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান ধরে রাখার জন্য আরও দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন। শিক্ষা ও খাবার পানির গুণগতমান, শিশু বিয়ের বিরুদ্ধে লড়াই এবং শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার মতো বিষয়গুলো ব্যাপকভাবে বিস্তৃত সুরক্ষামূলক বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে। 

অন্যদিকে শিশুদের প্রতি সহিংস শাসন বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। পনের বছরের নিচে প্রতি ১০ জনে নয়জন শিশুই তাদের অভিভাবক বা সেবা প্রদানকারীদের মাধ্যমে কোনো না কোনোভাবে সহিংস শাসনের শিকার।

এতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে শিশু অপুষ্টির হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কিন্তু বেড়েছে শিশুদের প্রতি সহিংস শাসন। ৩৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে শৈশবকালীন শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তুলনামূলক কম। এ সংখ্যা গড়ে ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০১২-১৩ সালে যা ছিল ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এ সময়ে স্কুলে উপস্থিতির হার কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫ দশমিক ৯ শতাংশ। যদিও এখনও ১৩ শতাংশ কিশোর-কিশোরী নিম্ন মাধ্যমিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ছয় দশমিক আট শতাংশ শিশু শ্রমের সঙ্গে জড়িত। স্কুলে যাওয়া শিশুদের তুলনায় এ হার বেশি। শিক্ষা শেষ না করে ঝড়ে পড়ার হারে প্রতি পাঁচজনের একজনই ছেলে। একইসঙ্গে গ্রামে শিশুদের বিয়ে এখনো ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। দারিদ্র্য নিরসনে অগ্রগতি হলেও শিশুদের পুষ্টির হার ভালো নয়।

প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, ৯৮ দশমিক পাঁচ শতাংশ শিশু একবার হলেও মায়ের দুধ পান করেছে। জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে বুকের দুধ খাওয়ানো হয় এমন শিশুর সংখ্যা ৪৬ দশমিক ছয় শতাংশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, এবারের সার্ভে থেকে পাওয়া নতুন উপাত্তসমূহ মধ্যম আয়ের একটি দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শিশুদের উন্নতির জন্য সহায়ক হবে। শিশুদের উন্নত বিকাশে সার্ভে নানা অবদান রাখবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিবিএস’র অতিরিক্ত সচিব শহিদুল ইসলাম ও ইউনিসেফের অফিসার ইনচার্জ অ্যালেন বালাডিন ডমসন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম

বঙ্গবন্ধুর শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে T10 ক্রিকেট বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ও মুজিব বর্ষ মোটর শোভাযাত্রা আয়োজন

নিউইয়র্ক সিটি যুবলীগ কর্তৃক আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষেT10ক্রিকেট বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ও মুজিব বর্ষ মোটর শোভাযাত্রা আয়োজন এর জন্য এক প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয় এতে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন! এবং নিউইয়র্ক মহানগরের নেতৃবৃন্দ ।

পারিবারিক কলহ ও মানসিক যন্ত্রণায় আত্মহত্যা করেছেন সালমান শাহ।

‘সামিরা-শাবনূর দুইজনকে নিয়েই সংসার করতে চেয়েছিলেন সালমান’

স্ত্রী সামিরা এবং চিত্রনায়িকা শাবনূর দুইজনকেই প্রচণ্ড ভালোবাসতেন প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ। এ কারণে শাবনূরকেও বিয়ে করে সংসার করতে চেয়েছিলেন সালমান। কিন্তু সামিরা তাতে রাজি হননি। এমন সব তথ্য উঠে এসেছে পুলিল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআইর) তদন্ত প্রতিবেদনে।

আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানান পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার। এ বক্তব্যটি আসলে সালমানের বাসায় রান্নাবান্নার কাজ করা মনোয়ারা বেগমের জবানবন্দি থেকে নেয়া। ওই জবানবন্দীতে আরো বলা হয়, সতীনের সংসার করতে রাজি ছিলেন না সালমানের স্ত্রী সামিরা।পিবিআইয়ের ব্রিফিংয়ে বলা হয়, হত্যা নয়, আত্মহত্যাই করেছিলেন সালমান শাহ। চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুর পর দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত কোনো তদন্তকারী সংস্থার প্রতিবেদন গ্রহণ করেনি তার পরিবার। প্রথমে থানা পুলিশ পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলাটি তদন্ত করে।

সেটি প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর সালমান শাহ অপমৃত্যু নাকি হত্যার শিকার তা নিশ্চিত হতে আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি করে। সেটাও প্রত্যাখ্যাত হয়। এরপর র‌্যাব এবং সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট তদন্ত সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পায় পিবিআই।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী সালমান শাহ। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।

নিউজ সূত্র বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

ফিলিস্তিনিকে হত্যার পর বুলডোজারে পিষে দিল ইসরায়েলি সেনারা

ফিলিস্তিনিকে হত্যার পর বুলডোজারে পিষে দিল ইসরায়েলি সেনারা

গাজার খান ইউনিসে এক ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যার পর মৃতদেহ বুলডোজার দিয়ে পিষে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। 

রবিবার সকালে ফিলিস্তিনের গাজা-ইসরাইল সীমান্তে ফিলিস্তিনের কয়েক জন নাগরিকের ওপর গুলি করলে ওই ব্যক্তি নিহত হন। এই ঘটনায় আরও কয়েক জন আহত হন।পরে ওই ফিলিস্তিনির মরদেহ বুলডোজার দিয়ে পিষে দিতে দেখা যায় এক ভিডিওতে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ফিলিস্তিনের নাগরিক নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করতে যায়। কিন্তু হঠাৎ করেই ইসরায়েলি বাহিনী বুলডোজার নিয়ে গাজা উপত্যকার ভেতরে ঢুকে পড়ে। এরপর নিহতের মরদেহ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিতে থাকে।

ফিলিস্তিনিরা মরদেহ উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও পারেনি। তবে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন তারা। আর মরদেহটি থেতলে দিয়ে সেটি বুলডোজারে তুলে নিয়ে চলে যায় ইসরায়েলি বাহিনী। এসময় কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে ঢিল ছুড়তে দেখা যায়।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ওই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। গাজার প্রতিরোধ সংগঠন ‘ইসলামি জিহাদ’ এক বিবৃতিতে 
এর চরম প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে।

হামাসের মুখপাত্র ফাওজি বারহুম বলেছেন, যাকে নিহত করা হয়েছে তার হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না। তাকে হত্যা করে জঘন্য অপরাধ করেছে ইসরায়েলিরা। সূত্র:পার্সটুডে।

আত্মহত্যা করেছিলেন সালমান শাহ পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে !

হত্যা নয়, আত্মহত্যাই করেছিলেন সালমান শাহ : পিবিআই

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছিলেন বলে পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে।

সোমবার রাজধানীর ধানমণ্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমার মজুমদার।

বনজ কুমার মজুমদার বলেন, তদন্তে সালমান শাহকে হত্যার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পারিবারিক কলহ ও মানসিক যন্ত্রণায় তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন।