পরিচয় মিলল বনানীতে দুর্ঘটনায় নিহত দুই নারীর

 

পরিচয় মিলল বনানীতে দুর্ঘটনায় নিহত দুই নারীর

রাজধানীর বনানীর চেয়ারম্যানবাড়ী এলাকায় সেতু ভবনের সামনে গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই নারী নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতরা দুজনই একটি স্কুটিতে করে যাচ্ছিলেন। ওই স্কুটিতে প্রেস লেখা ছিল।

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- দুলদানা আক্তার কচি ও সোনিয়া। এদের মধ্যে দুলদানা কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর এলাকার মৃত সৈয়দ ফজলুল হকের মেয়ে ও পার্ল ইন্টারন্যাশনালের টেরিটরি অফিসার এবং অপরজন সোনিয়া ভোলার মাছদেলছড়িয়ার রুহুল আমিনের মেয়ে বলে জানা গেছে। সোনিয়া তার ভাই রুবেলের সঙ্গে মিরপুরের শাহআলীতে থাকতেন বলেও জানা গেছে।

বনানী থানার উপপরিদর্শক আফজাল হোসেন বলেন, সেতু ভবনের সামনে বাস বা ট্রাক স্কুটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই দুজন নারী যাত্রী নিহত হয়েছেন। তাদের মাথায় হ্যালমেট থাকলেও তা খুলে পড়েছে এবং ভেঙে গেছে। তাদের স্কুটিতে প্রেস লেখা ছিল।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, রাত সোয়া ১টার দিকে দুই নারীকে ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাদের পড়নে জিন্স ও কুর্দির মতো সালোয়ার ছিল।

সূত্র : কালের কণ্ঠ

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরোধিতায় বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দিল্লিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরোধিতায় বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দিল্লিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার থেকে চলা এই বিক্ষোভে দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

সোমবার পাথর ছোড়া, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ এবং দোকানে দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় দিল্লি। মঙ্গলবারও উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে প্রায় একই অবস্থা বিরাজ করে। মৌজপুরসহ উত্তর-পূর্ব দিল্লির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। খবর এনডিটিভির

মৌজপুরে মঙ্গলবার সকালে একটি রিকশায় চলা যাত্রীদের পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং তাদের জিনিসপত্র লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেছে, উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আমরা উত্তর-পূর্ব দিল্লি থেকে ক্রমাগত সহিংসতার খবর পাচ্ছি।

সোমবার রাতে গোকুলপুরী এলাকায় একটি টায়ারের বাজারে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্যে দিল্লির মন্ত্রী গোপাল রাই, ইমরান হুসেন এবং আম আদমি পার্টির অন্যান্য বিধায়করা গভীর রাতে লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজালের বাসভবনে যান। 

সোমবারই ভারত সফরে এসেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার সফরকালেই দিল্লিতে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

সরকারি সূত্রগুলি জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ভারত সফর করছেন এমন সময় দেশের রাজধানীতে এই ধরনের সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে। অনেকেই বলছে, এই ধরনের ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সহিংসতার ঘটনায় আগাম সতর্কতা স্বরূপ দিল্লি সরকার উত্তর-পূর্ব দিল্লি জেলায় সমস্ত বেসরকারি এবং সরকারি স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। দিল্লি মেট্রো জাফরাবাদ, মৌজপুর-বাবরপুর, গোকুলপুরী, জোহরি এনক্লেভ এবং শিববিহার স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা, যার ফলে সেখানে কোনো বড় সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল বিধায়ক এবং কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠকে বসছেন। তিনি টুইট করেছেন, ‘দিল্লির কয়েকটি অঞ্চলের বর্তমান থমথমে পরিস্থিতি নিয়ে আমি খুব উদ্বিগ্ন। শহরে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের সবারই একসঙ্গে চেষ্টা করা উচিত। আমি আরও একবার সবার প্রতি আবেদন করছি, দয়া করে হিংসা ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন।’

দুই আ’লীগ নেতার বাড়ীতে অভিযান, সিন্দুকভর্তি টাকা উদ্ধার

ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজধানীর গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রুপন ভূঁইয়ার বাড়ীতে অফিযান চালায় র‌্যাব। সুত্রাপুর মুরগীটোলা মোড়ের বাসা থেকে নগদ ১ কোটি ৫ লাখ টাকা ও ৭৩০ ভরি সোনা জব্দ করেছে র‌্যাব। সোমবার দিবাগত রাতে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এসব সামগ্রী জব্দ করা হয়।

অভিযান শেষে র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল কেএম শফিউল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি রাজধানীর ইংলিশ রোড থেকে ৫ টি ভল্ট ভাড়া নেয় কে বা কারা। পরে তথ্য সংগ্রহ করে জানতে পারি, ভল্টগুলো রুপন ও এনামুল -এই দুই ভাই ভাড়া নিয়েছে। ক্যাসিনোর লাভের টাকা এসব ভল্টে রাখা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, জুয়ার টাকা দিয়ে এরা অনেকগুলো বাড়ি কিনেছে। এখন পর্যন্ত আমরা ১৫ টি বাড়ির সন্ধান পেয়েছি। এই ভবনের (৩১, বানিয়ানগর) দ্বিতীয় ও পঞ্চম তলায় অভিযান চালিয়ে তিনটি ভল্ট উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকেও টাকা ও স্বর্ণ পাওয়া যায়। একই সময় অভিযান থেকে ৫ টি অস্ত্র পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা র্যাবকে জানিয়েছে, এসব অস্ত্র দিয়ে স্থানীয় লোকদের ভয় দেখাত।

সূত্র জানায়, এনামুল ও রুপনা ৬ ভাই। ১৯৮৫ সাল থেকেই এনামুল ওয়ান্ডার্স ক্লাব ও রুপন আরামবাগ ক্লাবে জুয়া খেলত। কিন্তু গত তিন-চার বছর আগে তারা হঠাৎ করে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি কেনা শুরু করে। যে বাড়িটি র‌্যাব ঘিরে রেখে অভিযান চালাচ্ছে সে বাড়িটি গত দেড় বছর আগে হারুনুর রশীদ নামে একজনের কাছ থেকে তারা কিনেছেন। ভবনের চতুর্থ তলায় এনামুলের শ্যালক-শাশুড়ি থাকেন। র‌্যাব সূত্র জানায়, এই চতুর্থ তলার সিন্দুক থেকে ৭ কেজি স্বর্ণ পাওয়া গেছে। আরেকটি সিন্দুক থেকে এক কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ওয়ারী, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, বংশাল, কোতোয়ারী থানা এলাকায় এই পরিবারের ৫০টির মতো বাড়ি রয়েছে। তবে এই রুপন এবং এনামুল কোন বাড়িতে থাকে সেটি তারা জানেন না।

সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই বাড়িতে এখনো অভিযান চলছে। দুপুরে সাংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

সালমান আমার কারণে কেন আত্মহত্যা করবে ! একজন মৃত মানুষের সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে কথা বলাটা খুব বিশ্রী মনে হয়েছে : শাবনূর

img

শাবনূরকে নিয়ে সালমান-সামিরার নিয়মিত ঝগড়া হতো। ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানালেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআইর) প্রধান বনজ কুমার মজুমদার। এছাড়াও সালমানের বাসায় রান্নাবান্নার কাজ করা মনোয়ারা বেগমের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে শাবনূর-সামিরা দু’জনকে নিয়েই সংসার করতে চেয়েছিলেন সালমান। কেননা সালমান সামিরা এবং শাবনূর দু’জনকেই প্রচণ্ড ভালোবাসতেন।

এ কারণে দু’জনকেই বিয়ে করে সংসার করতে চেয়েছিলেন সালমান। কিন্তু সামিরা তাতে রাজি হননি। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বাসার কর্মচারীরা সবাই এমন জবানবন্দীই দিয়েছেন।

তবে পিবিআইয়ের এই কথায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। একটি প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমে তিনি ফোনালাপে জানিয়েছেন, আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কিসের জন্য আমার নাম জড়ানো হচ্ছে! সালমান যদি আত্মহত্যাও করে, তাহলে আমার কারণে কেন করবে! আমার নামটা জড়ানোর আগে সবারই একবার ভাবা উচিত।’

শাবনুর বলেন, ‘একজন মৃত মানুষের সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে কথা বলাটা খুব বিশ্রী মনে হয়েছে।’

শাবনূর বলেন, ‘আমাকে জড়িয়ে এমন কথা কেন বলা হচ্ছে, তা আমি জানি না! সালমান ও আমাকে জড়িয়ে এই ধরনের কথা কেউ যদিও বলে থাকে, সেটার আমি ঘোর বিরোধিতা করছি। সালমান শুধুই আমার নায়ক ছিল, সহশিল্পী ছিল, বন্ধু ছিল, এর বাইরে আর কোনো সম্পর্ক ছিল না। আমি আগেও বলেছি, তাকে আমি ভাইয়ের মতো শ্রদ্ধা করতাম। তার সঙ্গে আমার ভাইবোনের সম্পর্ক ছিল। অন্য রকম পরিচ্ছন্ন সম্পর্ক ছিল। এটা নিয়ে এখন কেউ কিছু বললে তা তো আমি মানবই না। একজন মরা মানুষকে নিয়ে এত বছর পর এত বিশ্রী কথা বলার মনমানসিকতা কীভাবে সবার হয়, সেটাও আমি বুঝি না।’

শাবনূর বলেন, ‘আমি তখন অবিবাহিত একটা মেয়ে। সালমান তো বিবাহিত। ওর স্ত্রীর সঙ্গেও আমার একটা ভালো সম্পর্ক ছিল। সালমানের স্ত্রী সব সময় আমাদের সঙ্গেই থাকত। প্রেমের সম্পর্কের কিছু একটা যদি হতো, এটা তখন সবাই বুঝতে পারত। এত বছর পর এই ব্যাপারটা নিয়ে আমাকে জড়িয়ে নোংরা উক্তি করার ব্যাপারটি মোটেও ভালো লাগছে না। কিছু মানুষ আমাকে জড়িয়ে গুজব ছড়িয়েছে। এখনো ছড়াচ্ছে।’

বর্তমানে শাবনূর অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। অনেক বছর ধরেই আছেন মিডিয়ার বাইরে।

চট্টগ্রাম সিটিতে বিএনপির মেয়র প্রার্থী শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটিতে বিএনপির মেয়র প্রার্থী শাহাদাত

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি থেকে মেয়র পদে মনোনয়ন পেয়েছেন মহানগর সভাপতি শাহাদাত হোসেন।আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একথা জানান।এর আগে মেয়র পদে সাহাদাতসহ ৬ জন মনোনয়ন চেয়েছিলেন। অন্যরা হলেন- নগর সাধারণ সম্পাদক আবু হাশেম বক্কর, সহসভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এরশাদ উল্লাহ, সাবেক কমিশনার নিয়াজ মুহাম্মদ খান ও মহিলা নেত্রী লুসি খান।এছাড়া বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ড বগুড়া-১ আসনে উপনির্বাচনে বগুড়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির এবং যশোর-৬ আসনে উপনির্বাচনে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদকে মনোনয়ন দিয়েছে।গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠকে লন্ডন থেকে স্কাইপেতে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।মহাসচিব ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সেলিমা রহমান।

পাপিয়ার ঘটনাই শেষ নয়। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগি এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনে এরকম আরো ১৫৩জন রয়েছে

পাপিয়ার ঘটনাই শেষ নয়। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগি এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনে এরকম আরো ১৫৩জন রয়েছেন যারা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে নানা রকম অপকর্ম করছেন। শুধু ঢাকায় নয়, ঢাকার বাইরে তৃণমূলে পর্যায় পর্যন্ত এ ধরণের অপকর্মকারী রয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা এরকম ১৫৩ জনের একটি তালিকা দিয়েছে বলে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদের প্রতি কোন রকমের অনুকম্পা না দেখানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। তাদের জন্য কেউ যদি তদবির করে তাহলে তার পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য আওয়ামী লীগ সভাপতির কাছে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।*

*সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী দলের ভিতর যারা অপকর্ম করছেন তাদের ব্যাপারে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি গ্রহণ করেছেন। গত সেপ্টেম্বর মাসে আওয়ামী লীগ সভাপতি নির্দেশ দিয়েছিলেন, যারা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে অপকর্ম করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং সেই প্রধান মন্ত্রীর সেই নির্দেশনার অংশ হিসেবেই বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে অজ্ঞাত কারণে এই শুদ্ধি অভিযান থেমে যায়।*

*এরপর আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, যারা আওয়ামী লীগের পরিচয় ব্যবহার করে নানারকম অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত, যারা আদর্শ এবং নীতি বহির্ভুত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদেরকে দলে জায়গা দেয়া হবেনা। কিন্তু তারপরেও একইভাবে পাপিয়ার মতো মেয়েরা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃত্বের বিভিন্ন পর্যায়ে আছে। এটা নিয়ে খোদ আওয়ামী লীগের মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি এই ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুদ্ধ্ব এবং অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। যাচাই-বাছাই ছাড়া কেন এদেরকে স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃত্বে আনা হয়, সে ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।*

*সংশ্লিষ্ট সুত্রগুলো বলছে যে, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, সারাদেশে আওয়ামী লীগের যে অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের যে কমিটি রয়েছে সে কমিটিগুলোতে কারা আছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কি কি অভিযোগ রয়েছে তা যেন খতিয়ে দেখা হয়। সংশ্লিষ্ট সুত্রগুলো বলছে যে, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যে, ‘আমি জানি কারা কারা এসব অপকর্ম করছে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কেন এখনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছেনা?’*

*বিশেষ করে একজন অপরাধ করার পর কিংবা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার হাতে গ্রেপ্তার হবার পর বা তাঁর অপরাধ সামনে আসার পর কেন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, আগে কেন নেয়া হচ্ছে না? এবং এই কারণেই আওয়ামী লীগের মধ্যে আবার নতুন করে শুদ্ধি অভিযান শুরু হচ্ছে বলে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।*
*আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদেরকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে গ্রেপ্তার হবার আগেই যেন দল থেকে বহিষ্কার কিংবা তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন বলে সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।*

সিগারেটে মিলল নিকোটিনের চেয়েও ভয়ংকর বিষ

বাংলাদেশের সিগারেটে পাওয়া গিয়েছে নিকোটিনের চেয়েও ভয়ংকর কিছু বিষাক্ত পদার্থ। এ নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক পত্রিকা দেশ রূপান্তর। প্রতিবেদনে বলা হয়, সিগারেটে ক্ষতিকর উপাদান বলতে এতদিন শুধু নিকোটিনের নামই শুনে আসছে সবাই। নিকোটিনের উপস্থিতির কারণেই ধূমপানকে ‘বিষপানের’ সঙ্গে তুলনা করেন তারা। এবার বাংলাদেশে উৎপাদিত সিগারেটে নিকোটিনের চেয়েও মারাত্মক ক্ষতিকর পদার্থের উপস্থিতি পেয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্র্তৃপক্ষ। দেশের ‘জনপ্রিয়’ পাঁচটি ব্র্যান্ডের সিগারেট বাজার থেকে সংগ্রহের পর পরীক্ষা করে এ তথ্য পেয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠানটি। সিগারেটে থাকা এসব ক্ষতিকর রাসায়নিক ধূমপায়ী ও পরোক্ষ ধূমপায়ীদের শরীরে কোন ধরনের প্রভাব ফেলছে তা জানতে স্বাস্থ্য সচিবকে চিঠি দিয়েছে নিরাপদ খাদ্য কর্র্তৃপক্ষ। ল্যাব টেস্টের কপিসহ ওই চিঠির কপি দেশ রূপান্তরের কাছে রয়েছে।

নিরাপদ খাদ্য কর্র্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের (বিএটিবি) উৎপাদিত ডার্বি, হলিউড, স্টার, গোল্ডলিফ ও বেনসন এবং জাপান টোব্যাকোর নেভি ব্র্যান্ডের সিগারেট সংগ্রহ করে গত ৮ জানুয়ারি ঢাকার পরমাণু শক্তি কেন্দ্রের অ্যানালাইটিক্যাল কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। এসব বিষয়ে কথা বলতে বিএটিবির কোম্পানি সচিব আজিজুর রহমানের মোবাইলে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কল রিসিভ করেননি। এসএমএস পাঠালেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। গত ১৫ জানুয়ারি ল্যাব টেস্টের রিপোর্ট তৈরি করেন ওই ল্যাবের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কোয়ালিটি ম্যানেজার ড. শামশাদ বেগম কোরেশি। মূলত দেশে উৎপাদিত তামাক পাতায় এসব ভারী ধাতুর উপস্থিতি থাকায় তা দিয়ে উৎপাদিত সিগারেটেও এসব ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া গেছে।

ল্যাব টেস্টের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিরাপদ খাদ্য কর্র্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মাহাবুব কবির স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও খাদ্য সচিবকে চিঠি লিখেছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, দেশে উৎপাদিত সিগারেটের তামাক পরীক্ষা করে প্রতি কেজিতে দশমিক ৪৯ থেকে ১০০ দশমিক ৯৫ লেড বা সিসা, দশমিক ৪০৫ থেকে ১ দশমিক ৩৭ গ্রাম ক্যাডমিয়াম ও দশমিক ৮২ থেকে ১ দশমিক ৪৯ গ্রাম ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে। সিগারেটের তামাকে উপস্থিত এসব ভারী ধাতু ধূমপায়ী ও পরোক্ষ ধূমপায়ীদের জন্য কী মাত্রায় ক্ষতিকর তা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারণ করা অতি আবশ্যক।

‘দেশে উৎপাদিত সিগারেটের তামাকে উচ্চমাত্রার মারাত্মক ক্ষতিকর হেভি মেটাল থাকা বিষয়ে জনগণকে সতর্ক করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ গ্রহণ করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অনুরোধ জানিয়েছে নিরাপদ খাদ্য কর্র্তৃপক্ষ। এর আগে বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন কোম্পানির জর্দা, খয়ের ও গুল সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্ট করে নিরাপদ খাদ্য কর্র্তৃপক্ষ। তাতে সিসা, ক্যাডমিয়াম ও ক্রোমিয়ামের ক্ষতিকর মাত্রায় উপস্থিতি পাওয়ার পর জনপ্রিয় ব্র্যান্ড রতন জর্দার উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। হাকিমপুরী জর্দা উৎপাদন ও বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আদালত। সংশ্লিষ্টরা জানান, মূলত বাংলাদেশে উৎপাদিত তামাক পাতায় আশঙ্কাজনক মাত্রায় ভারী ধাতু পাওয়া গেছে। এসব তামাক পাতায় উৎপাদিত জর্দা, গুল, বিড়ি-সিগারেটেও এসব ভারী ধাতুর উপস্থিতি থাকছে। এতে মানুষ ক্যানসার, কিডনি রোগ ও হৃদরোগসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। সূত্র: দেশ রূপান্তর

ট্রাম্পের সফরের মাঝেই রণক্ষেত্র দিল্লি

ট্রাম্পের সফরের মাঝেই রণক্ষেত্র দিল্লি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের মাঝেই ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) পক্ষ ও বিপক্ষ- দু’দলের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে দিল্লি। এতে দিল্লি পুলিশের প্রধান কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। এছাড়া ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাও আহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়। সোমবার রাতে ভারতের রাজধানী দিল্লি পৌঁছনোর কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তার কয়েক ঘণ্টা আগে উত্তর পূর্ব দিল্লি কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হল। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের পক্ষের এবং বিপক্ষের আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন এক পুলিশ কর্মী। পাথরে পাথরে ছয়লাপ রাস্তাঘাট।সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল রবিবারেই। ভজনপুরা এবং মৌজপুর অঞ্চলে বেশ কিছু দিন ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সিএএ বিরোধী আন্দোলনকারীরা। রবিবার তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন সিএএ-পন্থীরা। দু’পক্ষই একে অপরকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে থাকে। তারই মধ্যে আগুনে ঘি ঢালেন দিল্লির বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র। দাবি করেন, ট্রাম্পের সফরের জন্য তাঁরা কিছু করছেন না। তিন দিনের মধ্যে পুলিশ সিএএ বিরোধী আন্দোলনকারীদের তুলে না দিলে তাঁরাই ব্যবস্থা নেবেন।কপিল মিশ্রের এই বিবৃতি শোনার পরে আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। দফায় দফায় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলতে থাকে। সোমবার সকালেও পরিস্থিতির বদল হয় না। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের তরফ থেকে গুলিও চলে। তবে সেই গুলি কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে পুলিশ এখনও পর্যন্ত কিছু জানায়নি। দু’পক্ষের সংঘর্ষ আটকাতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। তারই মধ্যে এক পুলিশ কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বিকেলে সেই পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়। বন্দুকবাজের পরিচয় এখনও জানায়নি পুলিশ।এ দিনের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর বক্তব্য, দিল্লির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেন্দ্রের হাতে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দ্রুত হস্তক্ষেপ করা উচিত এবং ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যদিও বিজেপির তরফে এখনও পর্যন্ত এ দিনের ঘটনা নিয়ে কোনও বিবৃতি জারি করা হয়নি।এ দিন রাতেই দিল্লি ঢুকবেন ডনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার সকালে তাঁর রাজঘাটে গিয়ে গাঁধীর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর কথা। দুপুরে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একান্ত বৈঠকও হওয়ার কথা। তার মধ্যে এ দিনের ঘটনা বড় সড় প্রশ্ন তুলে দিলো।

শিশুদের প্রতি সহিংস শাসন বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে

ছবি: প্রতীকী

রাজধানীর আগারগাঁও পরিসংখ্যান ভবনে ‘মাল্টিপল ইনডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে-২০১৯’ এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফ যৌথভাবে এ জরিপ পরিচালনা করে। ৬৪টি জেলার ৬১ হাজার ২৪১টি পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। আর এসব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি সমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান ধরে রাখার জন্য আরও দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন। শিক্ষা ও খাবার পানির গুণগতমান, শিশু বিয়ের বিরুদ্ধে লড়াই এবং শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার মতো বিষয়গুলো ব্যাপকভাবে বিস্তৃত সুরক্ষামূলক বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে। 

অন্যদিকে শিশুদের প্রতি সহিংস শাসন বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। পনের বছরের নিচে প্রতি ১০ জনে নয়জন শিশুই তাদের অভিভাবক বা সেবা প্রদানকারীদের মাধ্যমে কোনো না কোনোভাবে সহিংস শাসনের শিকার।

এতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে শিশু অপুষ্টির হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কিন্তু বেড়েছে শিশুদের প্রতি সহিংস শাসন। ৩৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে শৈশবকালীন শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তুলনামূলক কম। এ সংখ্যা গড়ে ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০১২-১৩ সালে যা ছিল ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এ সময়ে স্কুলে উপস্থিতির হার কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫ দশমিক ৯ শতাংশ। যদিও এখনও ১৩ শতাংশ কিশোর-কিশোরী নিম্ন মাধ্যমিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে ছয় দশমিক আট শতাংশ শিশু শ্রমের সঙ্গে জড়িত। স্কুলে যাওয়া শিশুদের তুলনায় এ হার বেশি। শিক্ষা শেষ না করে ঝড়ে পড়ার হারে প্রতি পাঁচজনের একজনই ছেলে। একইসঙ্গে গ্রামে শিশুদের বিয়ে এখনো ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য। দারিদ্র্য নিরসনে অগ্রগতি হলেও শিশুদের পুষ্টির হার ভালো নয়।

প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, ৯৮ দশমিক পাঁচ শতাংশ শিশু একবার হলেও মায়ের দুধ পান করেছে। জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে বুকের দুধ খাওয়ানো হয় এমন শিশুর সংখ্যা ৪৬ দশমিক ছয় শতাংশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, এবারের সার্ভে থেকে পাওয়া নতুন উপাত্তসমূহ মধ্যম আয়ের একটি দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শিশুদের উন্নতির জন্য সহায়ক হবে। শিশুদের উন্নত বিকাশে সার্ভে নানা অবদান রাখবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিবিএস’র অতিরিক্ত সচিব শহিদুল ইসলাম ও ইউনিসেফের অফিসার ইনচার্জ অ্যালেন বালাডিন ডমসন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম

বঙ্গবন্ধুর শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে T10 ক্রিকেট বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ও মুজিব বর্ষ মোটর শোভাযাত্রা আয়োজন

নিউইয়র্ক সিটি যুবলীগ কর্তৃক আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষেT10ক্রিকেট বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ও মুজিব বর্ষ মোটর শোভাযাত্রা আয়োজন এর জন্য এক প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয় এতে যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন! এবং নিউইয়র্ক মহানগরের নেতৃবৃন্দ ।

পারিবারিক কলহ ও মানসিক যন্ত্রণায় আত্মহত্যা করেছেন সালমান শাহ।

‘সামিরা-শাবনূর দুইজনকে নিয়েই সংসার করতে চেয়েছিলেন সালমান’

স্ত্রী সামিরা এবং চিত্রনায়িকা শাবনূর দুইজনকেই প্রচণ্ড ভালোবাসতেন প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ। এ কারণে শাবনূরকেও বিয়ে করে সংসার করতে চেয়েছিলেন সালমান। কিন্তু সামিরা তাতে রাজি হননি। এমন সব তথ্য উঠে এসেছে পুলিল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআইর) তদন্ত প্রতিবেদনে।

আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানান পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার। এ বক্তব্যটি আসলে সালমানের বাসায় রান্নাবান্নার কাজ করা মনোয়ারা বেগমের জবানবন্দি থেকে নেয়া। ওই জবানবন্দীতে আরো বলা হয়, সতীনের সংসার করতে রাজি ছিলেন না সালমানের স্ত্রী সামিরা।পিবিআইয়ের ব্রিফিংয়ে বলা হয়, হত্যা নয়, আত্মহত্যাই করেছিলেন সালমান শাহ। চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুর পর দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত কোনো তদন্তকারী সংস্থার প্রতিবেদন গ্রহণ করেনি তার পরিবার। প্রথমে থানা পুলিশ পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলাটি তদন্ত করে।

সেটি প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর সালমান শাহ অপমৃত্যু নাকি হত্যার শিকার তা নিশ্চিত হতে আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি করে। সেটাও প্রত্যাখ্যাত হয়। এরপর র‌্যাব এবং সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট তদন্ত সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পায় পিবিআই।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী সালমান শাহ। সে সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছিলেন তার বাবা প্রয়াত কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।

নিউজ সূত্র বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

ফিলিস্তিনিকে হত্যার পর বুলডোজারে পিষে দিল ইসরায়েলি সেনারা

ফিলিস্তিনিকে হত্যার পর বুলডোজারে পিষে দিল ইসরায়েলি সেনারা

গাজার খান ইউনিসে এক ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যার পর মৃতদেহ বুলডোজার দিয়ে পিষে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। 

রবিবার সকালে ফিলিস্তিনের গাজা-ইসরাইল সীমান্তে ফিলিস্তিনের কয়েক জন নাগরিকের ওপর গুলি করলে ওই ব্যক্তি নিহত হন। এই ঘটনায় আরও কয়েক জন আহত হন।পরে ওই ফিলিস্তিনির মরদেহ বুলডোজার দিয়ে পিষে দিতে দেখা যায় এক ভিডিওতে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ফিলিস্তিনের নাগরিক নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করতে যায়। কিন্তু হঠাৎ করেই ইসরায়েলি বাহিনী বুলডোজার নিয়ে গাজা উপত্যকার ভেতরে ঢুকে পড়ে। এরপর নিহতের মরদেহ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিতে থাকে।

ফিলিস্তিনিরা মরদেহ উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও পারেনি। তবে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন তারা। আর মরদেহটি থেতলে দিয়ে সেটি বুলডোজারে তুলে নিয়ে চলে যায় ইসরায়েলি বাহিনী। এসময় কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে ঢিল ছুড়তে দেখা যায়।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ওই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। গাজার প্রতিরোধ সংগঠন ‘ইসলামি জিহাদ’ এক বিবৃতিতে 
এর চরম প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে।

হামাসের মুখপাত্র ফাওজি বারহুম বলেছেন, যাকে নিহত করা হয়েছে তার হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না। তাকে হত্যা করে জঘন্য অপরাধ করেছে ইসরায়েলিরা। সূত্র:পার্সটুডে।